ঢাকা ০১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে সদ্য জাতীয়করণ হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর বেহালদশা

Exif_JPEG_420

মো: মোশাররফ হোসেন মনিরঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলাধীন সদ্য জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের ৩০টিতে প্রধান শিক্ষক না থাকা, শ্রেনী কক্ষ সংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো, টয়লেট, টিউবওয়েল, স্কুলের পরিবেশ সমস্যাসহ নানা সমস্যায় বেহালদশা।  বর্তমান সরকার ২০১৩ সালে সারা দেশের ন্যায় মুরাদনগর উপজেলাধীন ৫৩টি বেসরকারী (রেজি:) প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে। এর মধ্যে ৩০টি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ্য শূর্ন রয়েছে। অপর দিকে সেই বিদ্যালয় গুলোর মান সম্মত শিক্ষক সংকট ও কর্মরত শিক্ষকদের শিক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলাধীন সদ্য জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উত্তর ঘোড়াশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাজীপুর দক্ষিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয, জাঙ্গাল আর্দশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শুশুন্ডা উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোয়াচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নরসিংহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গাইডুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক স্কুল গুলোর অত্যান্ত ঝুকিপূর্ণ ভবনের মধ্যে চলছে শিক্ষার র্কাযক্রম।

এর মধ্যে উত্তর ঘোড়াশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি পরিতেক্ত হওয়ায বর্তমানে পাশের এক বাড়ীতে ছোেট একটি কক্ষে গেদাগেদি করে চলছে কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম। এছাড়া জাতীয় করন হওয়া বিদ্যালয় গুলোতে নেই টয়লেট, কোন বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল, কমলমতি শিশুদের জন্য নেই কোন শিক্ষা উপকরণ।

উত্তর ঘোড়াশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম জানায়, আমাদেও এ স্কুলটি ২০১৫ সালে পরিতেক্ত ঘোষনা করা হলেও আজ পর্যন্ত কোন নতুন ভবন নির্মান করা হয়নি। পরিতেক্ত ঘোষনার পরও আমরা ভবনটিটে প্রায়দু’বছর ঝুঁকিনিয়ে পাঠদান কাযক্র চালিয়েছি। কিন্তু বর্তমানে ভবনটি অতি ঝুঁকিপূর্ন হওয়া গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকে পাশের এশটি বাড়িতে শিক্ষার কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। স্কুলের অবকাঠামো ও পরিবেশ সমস্যায় ছাত্র/ছাত্রীরা দিন দিন ঝড়ে পড়ছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার এএনএম মাহবুব আলম জানান, জাতীয়করণ বিদ্যালয় সমূহের মধ্যে যে সকল প্রধান শিক্ষক পদ গুলো শূণ্য রয়েছে সেগুলো পদোন্নতির মাধ্যমে খুব শিঘ্রই পূরণ করা হবে। তিনি আরো বলেন এক সময় ঐ স্কুল গুলোতে সম্মানি ভাতা প্রদানের কারনে তষনকার সময় মনসম্মত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যায়নি বলের আজ শেক্ষকদের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

মুরাদনগরে সদ্য জাতীয়করণ হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর বেহালদশা

আপডেট সময় ০৩:১৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ মে ২০১৭
মো: মোশাররফ হোসেন মনিরঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলাধীন সদ্য জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের ৩০টিতে প্রধান শিক্ষক না থাকা, শ্রেনী কক্ষ সংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো, টয়লেট, টিউবওয়েল, স্কুলের পরিবেশ সমস্যাসহ নানা সমস্যায় বেহালদশা।  বর্তমান সরকার ২০১৩ সালে সারা দেশের ন্যায় মুরাদনগর উপজেলাধীন ৫৩টি বেসরকারী (রেজি:) প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করে। এর মধ্যে ৩০টি স্কুলে প্রধান শিক্ষকের পদ্য শূর্ন রয়েছে। অপর দিকে সেই বিদ্যালয় গুলোর মান সম্মত শিক্ষক সংকট ও কর্মরত শিক্ষকদের শিক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

উপজেলাধীন সদ্য জাতীয়করণ হওয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উত্তর ঘোড়াশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাজীপুর দক্ষিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয, জাঙ্গাল আর্দশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফুলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শুশুন্ডা উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোয়াচালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নরসিংহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গাইডুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ একাধিক স্কুল গুলোর অত্যান্ত ঝুকিপূর্ণ ভবনের মধ্যে চলছে শিক্ষার র্কাযক্রম।

এর মধ্যে উত্তর ঘোড়াশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি পরিতেক্ত হওয়ায বর্তমানে পাশের এক বাড়ীতে ছোেট একটি কক্ষে গেদাগেদি করে চলছে কোমলমতি শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম। এছাড়া জাতীয় করন হওয়া বিদ্যালয় গুলোতে নেই টয়লেট, কোন বিশুদ্ধ পানির টিউবওয়েল, কমলমতি শিশুদের জন্য নেই কোন শিক্ষা উপকরণ।

উত্তর ঘোড়াশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: নজরুল ইসলাম জানায়, আমাদেও এ স্কুলটি ২০১৫ সালে পরিতেক্ত ঘোষনা করা হলেও আজ পর্যন্ত কোন নতুন ভবন নির্মান করা হয়নি। পরিতেক্ত ঘোষনার পরও আমরা ভবনটিটে প্রায়দু’বছর ঝুঁকিনিয়ে পাঠদান কাযক্র চালিয়েছি। কিন্তু বর্তমানে ভবনটি অতি ঝুঁকিপূর্ন হওয়া গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকে পাশের এশটি বাড়িতে শিক্ষার কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। স্কুলের অবকাঠামো ও পরিবেশ সমস্যায় ছাত্র/ছাত্রীরা দিন দিন ঝড়ে পড়ছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার এএনএম মাহবুব আলম জানান, জাতীয়করণ বিদ্যালয় সমূহের মধ্যে যে সকল প্রধান শিক্ষক পদ গুলো শূণ্য রয়েছে সেগুলো পদোন্নতির মাধ্যমে খুব শিঘ্রই পূরণ করা হবে। তিনি আরো বলেন এক সময় ঐ স্কুল গুলোতে সম্মানি ভাতা প্রদানের কারনে তষনকার সময় মনসম্মত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যায়নি বলের আজ শেক্ষকদের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।