ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে ৯ বছরের শিশু ধর্ষিতার পিতাকে হত্যার হুমকি অভিযোগ

মো: নাজিম উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের পৈয়াপাথর গ্রামে ধর্ষনের শিকার ৯ বছরের শিশুর পিতাকে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করছে আসামী পক্ষ এমনকি মামলা প্রত্যাহার না করলে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষক বাবুল মীর প্রকাশ্যে ঘোরে বেরালেও রহস্যজনক কারনে পুলিশ তাকে আটক না করার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে ধর্ষনের ঘটনা ও মামলা দায়েরের একমাস হয়ে গেলেও আসামী গ্রেফতার না হওয়ার আতংকে দিন কাটাচ্ছে ধর্ষিতার পরিবার। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

ধর্ষিত শিশুর পিতা আবদুল আজিজ অভিযোগ করে বলেন, উত্তর ত্রিশ গ্রামের মৃত তিতু মিয়া মীর’র ছেলে বাবুল মীর (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে বেড়ীবাধের উপর হলুদ মরিচের ব্যবসা করে আসছিল গত ২৮শে জুলাই সন্ধ্যায় আমার মেয়ে ভিকটিম (৯) কে তার দোকানঘরটি ঝাড়– দেয়ার নাম করে সেখানে ডেকে নিয়ে সাটার বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। তার শোর-চিৎকারে স্থানীয়রা এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থার অবনতি দেখে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। এঘটনায় গত ৫ই আগষ্ট আমি বাদি হয়ে মুরাদনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করি। মামলা নং ০৫/০৫-০৮-১৬। মামলা দায়ের করার পর এক মাস পেড়িয়ে গেলেও থানা পুলিশ ধর্ষক বাবুল মীরকে গ্রেফতার না করে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাবিত করার চেষ্টা করছে। এদিকে আসামী পক্ষের লোকেরা প্রতিনিয়ত আমাকে মামলাটি তুলে নিতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। দিন যত গাড়াচ্ছে হুমকির মাত্রা তত বাড়ছে। মামলা তুলে না নিলে আমাকে হত্যার হুমকিও দিচ্ছে আসামীপক্ষ।

তিনি আরো জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকতার অসযোগিতার ফলে হত ২৫শে আগষ্ট মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা অথবা সি আই ডি,কে তদন্তভার দেয়ার অনুমতি চেয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবী দ্রুত এই ধর্ষককে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।

এব্যাপারে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বাবুল এখন পালাতক রয়েছে, তাকে আটকের জন্য বেশ কয়েক স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগর বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতির ইন্তেকাল

মুরাদনগরে ৯ বছরের শিশু ধর্ষিতার পিতাকে হত্যার হুমকি অভিযোগ

আপডেট সময় ০৯:৫১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬
মো: নাজিম উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের পৈয়াপাথর গ্রামে ধর্ষনের শিকার ৯ বছরের শিশুর পিতাকে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করছে আসামী পক্ষ এমনকি মামলা প্রত্যাহার না করলে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষক বাবুল মীর প্রকাশ্যে ঘোরে বেরালেও রহস্যজনক কারনে পুলিশ তাকে আটক না করার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে ধর্ষনের ঘটনা ও মামলা দায়েরের একমাস হয়ে গেলেও আসামী গ্রেফতার না হওয়ার আতংকে দিন কাটাচ্ছে ধর্ষিতার পরিবার। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে।

ধর্ষিত শিশুর পিতা আবদুল আজিজ অভিযোগ করে বলেন, উত্তর ত্রিশ গ্রামের মৃত তিতু মিয়া মীর’র ছেলে বাবুল মীর (৪৫) দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানীগঞ্জ বাজারে বেড়ীবাধের উপর হলুদ মরিচের ব্যবসা করে আসছিল গত ২৮শে জুলাই সন্ধ্যায় আমার মেয়ে ভিকটিম (৯) কে তার দোকানঘরটি ঝাড়– দেয়ার নাম করে সেখানে ডেকে নিয়ে সাটার বন্ধ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষন করে। তার শোর-চিৎকারে স্থানীয়রা এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তার অবস্থার অবনতি দেখে সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে। এঘটনায় গত ৫ই আগষ্ট আমি বাদি হয়ে মুরাদনগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করি। মামলা নং ০৫/০৫-০৮-১৬। মামলা দায়ের করার পর এক মাস পেড়িয়ে গেলেও থানা পুলিশ ধর্ষক বাবুল মীরকে গ্রেফতার না করে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাবিত করার চেষ্টা করছে। এদিকে আসামী পক্ষের লোকেরা প্রতিনিয়ত আমাকে মামলাটি তুলে নিতে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। দিন যত গাড়াচ্ছে হুমকির মাত্রা তত বাড়ছে। মামলা তুলে না নিলে আমাকে হত্যার হুমকিও দিচ্ছে আসামীপক্ষ।

তিনি আরো জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকতার অসযোগিতার ফলে হত ২৫শে আগষ্ট মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা অথবা সি আই ডি,কে তদন্তভার দেয়ার অনুমতি চেয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবী দ্রুত এই ধর্ষককে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক।

এব্যাপারে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, বাবুল এখন পালাতক রয়েছে, তাকে আটকের জন্য বেশ কয়েক স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।