ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগর কোড়েরপাড় আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র ঐক্য পরিষদের নবগঠিত

ইমন মিয়া, বাঙ্গরা বাজার থানা (মুরাদনগর) প্রতিনিধিঃ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনসহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে কুমিল্লা জেলার ঐতিহ্যবাহী কোড়েরপাড় আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্যাডে কমিটির স্বাক্ষরিত সীলমোহরে এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

অনুমোদিত কমিটিতে এস কে আশিক মিয়াকে আহবায়ক ও ওয়াহেদুজ্জামান দিপুকে সদস্য সচিব করে ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

সদস্য পদে অভিজিৎ, মোঃ আলাল খান, রাকিবুল হাসান, মোঃ রুবেল মিয়া, মোঃ তারেক মিয়া, মোঃ কবির মিয়া, ইমরান হোসেন ইমন, সাজ্জাদ হোসেন শিমুল, শাহিন সাইফ, নাঈম সরকার, নাজমুল হাসান, শেখ সাইদুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম,নুসরাত জাহান শ্রাবণী স্বর্ণালী দাস,শারমিন শেখ মুনিয়া,লামিয়া ইসলাম সুচি এই নবগঠিত কমিটি।

তাদের ০৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে প্রতিবছর নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাবর্তন আয়োজন করতে হবে,কলেজগুলোতে সরকার নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত আদায় করা যাবে না,সকল বিভাগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক ব্যবহারিক কোর্স চালু এবং গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করতে হবে,মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষক ও ক্লাসরুম সংকট দূর করতে হবে, কলেজগুলোকে শুধু সনদ প্রাপ্তির কেন্দ্র না করে সংস্কারের মাধ্যমে কর্মমুখী শিক্ষা পদ্ধতি চালু করতে হবে।
আহবায়ক এস কে আশিক মিয়া এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,সমাবর্তন অনুষ্ঠান একজন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষা পরবর্তী সবচেয়ে বড় উপহার।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ।প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর পরেও সফলতার সাথে কোনো সমাবর্তন আয়োজন করেনি। ২০১৭ সালে ১ম বার সমাবর্তন আয়োজন করা হলেও যা ছিলো অসম্পূর্ণ।
আপনারা জানেন ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে চলে আসছে। বারবার প্রশ্ন উঠেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষা পদ্ধতি সংস্কার না হওয়ায় শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন জাগার অন্যতম কারণ। শিক্ষক সংকট, শ্রেণী সংকট, যত্রতত্র অনার্স খুলে বসার ফলে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি। এত কিছুর আড়ালে যে কত বড় বৈষম্যর শিকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তা দেখলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে।
অপর দিকে সদস্য সচিব ওয়াহেদুজ্জামান দিপু বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনসহ ৫ দফা দাবীতে কমিটি গঠনের বিষয়ে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সমাবর্তন আমাদের দাবী নয় বরং অধিকার।আর এই অধিকার আদায় করতে হলে একটা কমিটি গঠনের দরকার।
এদিকে গত ২৬ জানুয়ারি উপাচার্য ও রেজিষ্টারকে স্মারকলিপি দিয়েছে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্য পরিষদ’ কেন্দ্রীয় কমিটি।একই দাবিতে গত ২৫ জানুয়ারি দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে মানববন্ধন করেন তারা।এসব শিক্ষার্থীরা বলছেন,সমাবর্তন আমাদের ন্যায্য অধিকার।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ লক্ষ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও তারা যথাযথ সম্মান পাচ্ছেনা।
অথচ জব সেক্টরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা দাবি আদায়ে সোচ্চার হয়ে সমাবর্তনের দাবি আদায় করব।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মো. রহমাতুল্লাহ বলেন,আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে এসেছি।বঙ্গবন্ধুর বাংলায় অন্যায়ের ঠাঁই নাই।আমাদের একটাই আশা,একটাই চাওয়া আমাদের উৎসবমুখর বিদায় চাই

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

মুরাদনগর কোড়েরপাড় আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র ঐক্য পরিষদের নবগঠিত

আপডেট সময় ০২:২৮:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ইমন মিয়া, বাঙ্গরা বাজার থানা (মুরাদনগর) প্রতিনিধিঃ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনসহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে কুমিল্লা জেলার ঐতিহ্যবাহী কোড়েরপাড় আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র ঐক্য পরিষদের নবগঠিত কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সোমবার কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির প্যাডে কমিটির স্বাক্ষরিত সীলমোহরে এই কমিটির অনুমোদন প্রদান করেন।

অনুমোদিত কমিটিতে এস কে আশিক মিয়াকে আহবায়ক ও ওয়াহেদুজ্জামান দিপুকে সদস্য সচিব করে ৩৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

সদস্য পদে অভিজিৎ, মোঃ আলাল খান, রাকিবুল হাসান, মোঃ রুবেল মিয়া, মোঃ তারেক মিয়া, মোঃ কবির মিয়া, ইমরান হোসেন ইমন, সাজ্জাদ হোসেন শিমুল, শাহিন সাইফ, নাঈম সরকার, নাজমুল হাসান, শেখ সাইদুল ইসলাম ও আরিফুল ইসলাম,নুসরাত জাহান শ্রাবণী স্বর্ণালী দাস,শারমিন শেখ মুনিয়া,লামিয়া ইসলাম সুচি এই নবগঠিত কমিটি।

তাদের ০৫ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে প্রতিবছর নিয়মতান্ত্রিকভাবে সমাবর্তন আয়োজন করতে হবে,কলেজগুলোতে সরকার নির্ধারিত ফি-এর অতিরিক্ত আদায় করা যাবে না,সকল বিভাগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক ব্যবহারিক কোর্স চালু এবং গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করতে হবে,মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষক ও ক্লাসরুম সংকট দূর করতে হবে, কলেজগুলোকে শুধু সনদ প্রাপ্তির কেন্দ্র না করে সংস্কারের মাধ্যমে কর্মমুখী শিক্ষা পদ্ধতি চালু করতে হবে।
আহবায়ক এস কে আশিক মিয়া এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,সমাবর্তন অনুষ্ঠান একজন শিক্ষার্থীর জন্য শিক্ষা পরবর্তী সবচেয়ে বড় উপহার।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ।প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর পরেও সফলতার সাথে কোনো সমাবর্তন আয়োজন করেনি। ২০১৭ সালে ১ম বার সমাবর্তন আয়োজন করা হলেও যা ছিলো অসম্পূর্ণ।
আপনারা জানেন ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নানা অনিয়মের মধ্য দিয়ে চলে আসছে। বারবার প্রশ্ন উঠেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষা পদ্ধতি সংস্কার না হওয়ায় শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন জাগার অন্যতম কারণ। শিক্ষক সংকট, শ্রেণী সংকট, যত্রতত্র অনার্স খুলে বসার ফলে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দ্বিতীয়বার ভাবতে হয়নি। এত কিছুর আড়ালে যে কত বড় বৈষম্যর শিকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তা দেখলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠবে।
অপর দিকে সদস্য সচিব ওয়াহেদুজ্জামান দিপু বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনসহ ৫ দফা দাবীতে কমিটি গঠনের বিষয়ে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সমাবর্তন আমাদের দাবী নয় বরং অধিকার।আর এই অধিকার আদায় করতে হলে একটা কমিটি গঠনের দরকার।
এদিকে গত ২৬ জানুয়ারি উপাচার্য ও রেজিষ্টারকে স্মারকলিপি দিয়েছে ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্য পরিষদ’ কেন্দ্রীয় কমিটি।একই দাবিতে গত ২৫ জানুয়ারি দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে মানববন্ধন করেন তারা।এসব শিক্ষার্থীরা বলছেন,সমাবর্তন আমাদের ন্যায্য অধিকার।জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮ লক্ষ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও তারা যথাযথ সম্মান পাচ্ছেনা।
অথচ জব সেক্টরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচুর শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা দাবি আদায়ে সোচ্চার হয়ে সমাবর্তনের দাবি আদায় করব।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মো. রহমাতুল্লাহ বলেন,আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে এসেছি।বঙ্গবন্ধুর বাংলায় অন্যায়ের ঠাঁই নাই।আমাদের একটাই আশা,একটাই চাওয়া আমাদের উৎসবমুখর বিদায় চাই