ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে গেলেন আব্দুল জব্বার

বিনোদন:
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়’সহ অসংখ্য গানের গায়ক আব্দুল জব্বার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হারমোনিয়াম নিয়ে কলকাতার বিভিন্ন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের গান গেয়ে উদ্বুদ্ধ করেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গেয়েছেন অসংখ্য গান।
তার গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা ও মনোবল বাড়িয়েছে। তবে শেষ সময়টাই নিজেই নিজের মনোবল হারিয়ে ফেলেছিলেন এই শিল্পী। শরীর সামর্থ্যের কাছে হেরে গেলেন আব্দুল জব্বার। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা চলে বিদায় নিলেন চিরতরে।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। আজ ৩০ আগস্ট সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল জব্বার কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
বঙ্গবন্ধুকে গান শোনাচ্ছেন আব্দুল জব্বার
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের বিভিন্ন স্থানে গণসংগীত গেয়ে প্রাপ্ত ১২ লাখ টাকা তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন। ১৯৭১ সালে মুম্বাইয়ে ভারতের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জনমত তৈরিতেও নিরলসভাবে কাজ করেন তিনি। অসংখ্য কালজয়ী গানে কন্ঠ দেন আব্দুল জব্বার।
সংগীতাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিতে ১৯৮০ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে গেলেন আব্দুল জব্বার

আপডেট সময় ১২:৩৮:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ অগাস্ট ২০১৭
বিনোদন:
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’, ‘সালাম সালাম হাজার সালাম’, ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘তুমি কি দেখেছো কভু জীবনের পরাজয়’সহ অসংখ্য গানের গায়ক আব্দুল জব্বার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হারমোনিয়াম নিয়ে কলকাতার বিভিন্ন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের গান গেয়ে উদ্বুদ্ধ করেন। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গেয়েছেন অসংখ্য গান।
তার গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা ও মনোবল বাড়িয়েছে। তবে শেষ সময়টাই নিজেই নিজের মনোবল হারিয়ে ফেলেছিলেন এই শিল্পী। শরীর সামর্থ্যের কাছে হেরে গেলেন আব্দুল জব্বার। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা চলে বিদায় নিলেন চিরতরে।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। আজ ৩০ আগস্ট সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল জব্বার কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।
বঙ্গবন্ধুকে গান শোনাচ্ছেন আব্দুল জব্বার
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের বিভিন্ন স্থানে গণসংগীত গেয়ে প্রাপ্ত ১২ লাখ টাকা তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন। ১৯৭১ সালে মুম্বাইয়ে ভারতের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জনমত তৈরিতেও নিরলসভাবে কাজ করেন তিনি। অসংখ্য কালজয়ী গানে কন্ঠ দেন আব্দুল জব্বার।
সংগীতাঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিতে ১৯৮০ সালে একুশে পদক ও ১৯৯৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।