ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘যেনতেন একটা রায় দেবেন এতো সোজা নয়’

জাতীয় ডেস্কঃ
মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে দাবি করে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার পাশপাশি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতো সোজা না। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেনতেন রায় দেবেন? মানুষ তা মেনে নেবে? না। তারা পথে নেমে আসবে। সঠিক বিচার হতে হবে,ন্যায় বিচার হতে হবে। অন্যথায় জনগণ প্রস্তুত আছে। দলের নেতাকর্মীদের বলবো আপনারা প্রস্তুত হোন। জনগণকে প্রস্তুত করুন। আমাদের উপর চেপে বসা এই দানবকে সরাতে হবে। কোনদিন বাংলাদেশের মানুষ অন্যায়, স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদকে বরদাশত করেনি। গণঅভুত্থানের মাধ্যমে তাদের পরাজিত করেছে। আসুন আমরা সবাই জেগে উঠি, মানুষকে জাগাই।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলীর মুক্তি দাবিতে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নজিরবিহীনভাবে তাড়াহুড়ো করে মামলা শেষ করা হয়েছে অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন,শেষ দিনে আইনজীবীরা আরও কথা বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাদের কথা বলার কোনো সুযোগ না দিয়ে বক্তব্য শেষ করা হয়েছে এবং মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন এই জোর করা? আইনের স্বাভাবিক যে গতি তা বন্ধ করে দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে কেন এই রায় দেয়ার চেষ্টা? কারণ একটাই বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
সরকার সুপরিকল্পিতভাবে বিচার বিভাগকে ‘করায়ত্ত করেছে’ অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে যে মামলার রায় দেয়া হবে সেটি কোনো মামলাই হয় না। তাঁর আইনজীবীরা প্রতিটি অভিযোগ খণ্ডন করেছেন এবং প্রমাণ হয়েছে, এই মামলা কোনো মামলাই হতে পারে না। সম্পূর্ণ মিথ্যার ওপর এই মামলা হয়েছে। যে ট্রাস্টে খালেদা জিয়ার কোনো সম্পৃক্ততাই নেই, যে ট্রাস্ট গঠনে তার কোনো মন্তব্য নাই, কোনো ডকুমেন্টে স্বাক্ষর নাই, কোনো নির্দেশনা নাই। একটা জাল ফাইল-নথি হাজির করা হয়েছে। আমাদের আইনজীবীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন, এই নথিটি সম্পূর্ণভাবে জালিয়াতি করে, ঘষামাজা করে, কোনো স্বাক্ষর ছাড়াই রাষ্ট্রপতির প্যাডে সেই নথি তৈরি করা হয়েছে।
অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রায়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে তা কঠোর হাতে দমনের যে কথা সরকার বলছে, তার প্রসঙ্গ তুলে সরকারের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন,এই কথা বলছেন কেন? কারণ রায় তো আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়ে গেছে। আপনারা বলছেন ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে রায় হতে যাচ্ছে।
‘খালেদা জিয়া উড়ে এসে জুড়ে বসেননি’- এমন মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, তিনি নয় বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। তিন বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের ১৬ কোটি মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার সঙ্গে আপনারা (আওয়ামী লীগ) যে আচরণ করলেন, অসম্মান করলেন এই আচরণের জন্য জনগণ কোনোদিন আপনাদের ক্ষমা করবে না। ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবেনা।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

‘যেনতেন একটা রায় দেবেন এতো সোজা নয়’

আপডেট সময় ০১:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৮
জাতীয় ডেস্কঃ
মিথ্যা মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে দাবি করে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেয়ার পাশপাশি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতো সোজা না। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেনতেন রায় দেবেন? মানুষ তা মেনে নেবে? না। তারা পথে নেমে আসবে। সঠিক বিচার হতে হবে,ন্যায় বিচার হতে হবে। অন্যথায় জনগণ প্রস্তুত আছে। দলের নেতাকর্মীদের বলবো আপনারা প্রস্তুত হোন। জনগণকে প্রস্তুত করুন। আমাদের উপর চেপে বসা এই দানবকে সরাতে হবে। কোনদিন বাংলাদেশের মানুষ অন্যায়, স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদকে বরদাশত করেনি। গণঅভুত্থানের মাধ্যমে তাদের পরাজিত করেছে। আসুন আমরা সবাই জেগে উঠি, মানুষকে জাগাই।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ও সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলীর মুক্তি দাবিতে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
নজিরবিহীনভাবে তাড়াহুড়ো করে মামলা শেষ করা হয়েছে অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন,শেষ দিনে আইনজীবীরা আরও কথা বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাদের কথা বলার কোনো সুযোগ না দিয়ে বক্তব্য শেষ করা হয়েছে এবং মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন এই জোর করা? আইনের স্বাভাবিক যে গতি তা বন্ধ করে দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে কেন এই রায় দেয়ার চেষ্টা? কারণ একটাই বিএনপি ও খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
সরকার সুপরিকল্পিতভাবে বিচার বিভাগকে ‘করায়ত্ত করেছে’ অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে যে মামলার রায় দেয়া হবে সেটি কোনো মামলাই হয় না। তাঁর আইনজীবীরা প্রতিটি অভিযোগ খণ্ডন করেছেন এবং প্রমাণ হয়েছে, এই মামলা কোনো মামলাই হতে পারে না। সম্পূর্ণ মিথ্যার ওপর এই মামলা হয়েছে। যে ট্রাস্টে খালেদা জিয়ার কোনো সম্পৃক্ততাই নেই, যে ট্রাস্ট গঠনে তার কোনো মন্তব্য নাই, কোনো ডকুমেন্টে স্বাক্ষর নাই, কোনো নির্দেশনা নাই। একটা জাল ফাইল-নথি হাজির করা হয়েছে। আমাদের আইনজীবীরা প্রমাণ করে দিয়েছেন, এই নথিটি সম্পূর্ণভাবে জালিয়াতি করে, ঘষামাজা করে, কোনো স্বাক্ষর ছাড়াই রাষ্ট্রপতির প্যাডে সেই নথি তৈরি করা হয়েছে।
অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রায়কে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা হলে তা কঠোর হাতে দমনের যে কথা সরকার বলছে, তার প্রসঙ্গ তুলে সরকারের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন,এই কথা বলছেন কেন? কারণ রায় তো আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়ে গেছে। আপনারা বলছেন ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে রায় হতে যাচ্ছে।
‘খালেদা জিয়া উড়ে এসে জুড়ে বসেননি’- এমন মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, তিনি নয় বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। তিন বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের ১৬ কোটি মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তার সঙ্গে আপনারা (আওয়ামী লীগ) যে আচরণ করলেন, অসম্মান করলেন এই আচরণের জন্য জনগণ কোনোদিন আপনাদের ক্ষমা করবে না। ইতিহাস আপনাদের ক্ষমা করবেনা।