ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যে সব পানীয় ত্বক উজ্জ্বল-আকর্ষণীয় করে

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে প্রকৃতির ফুল ও ফলের উপর নির্ভর করা যেতে পারে। এসব ফুল ও ফল থেকে কিছু পানীয় প্রস্তুত করে নেয়া যায়। যা পানে ত্বক উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় হবে।
গাঁদা ফুলের চা
এক লিটার পানিতে দুইটি গাঁদা ফুলের পাপড়ি জাল দিতে হবে। এবার চায়ের মতো ছেঁকে নিয়ে তা পান করতে হবে। তবে গাঁদা ফুলগুলো যেন তাজা হয় এ ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। এই পানী রক্ত শোধন করে ত্বকের সতেজতা বাড়ায়।
দুধ ও কাঠবাদাম
এক গ্লাস দুধে পাঁচ থেকে ছয়টি কাঠবাদাম দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। যারা একটু পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন তাদের জন্য এই পানীয় অধিক কর্মক্ষমতা যোগাবে।
মধু-লেবু পানি
এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চা চামচ করে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। প্রতি সকালে খালি পেটে এই পানীয় পান করলে ত্বক সতেজ হয়ে উঠবে। কারণ লেবুর ভিটামিন সি আর মধুতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
আমলকী পানি
আমলকী শুকিয়ে নিতে হবে। এবার দুইটি শুকনো আমলকীকে ছেঁচে নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে এই পানি পান করা যেতে পারে। এটি চুলকে মসৃণ করতে এবং চুল পাকা রোধ করতে সাহায্য করে।
থানকুনি পাতার পানি
পাঁচ বা ছয়টি থানকুনি পাতা, আধা ইঞ্চি করে আদা ও কাঁচা হলুদ ও চারটি আমলকী পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর পানি ফেলে দিয়ে আবার ফ্রেশ পানি দিয়ে তা ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এই পানীয় ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরার শরবত
এক গ্লাস পানিতে একটি অ্যালোভেরার শাঁস, এক  চা চামচ মধু ও স্বাদমতো বিট লবণ মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এই পানীয় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

যে সব পানীয় ত্বক উজ্জ্বল-আকর্ষণীয় করে

আপডেট সময় ০২:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০১৭
লাইফস্টাইল ডেস্কঃ
ত্বককে উজ্জ্বল রাখতে প্রকৃতির ফুল ও ফলের উপর নির্ভর করা যেতে পারে। এসব ফুল ও ফল থেকে কিছু পানীয় প্রস্তুত করে নেয়া যায়। যা পানে ত্বক উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় হবে।
গাঁদা ফুলের চা
এক লিটার পানিতে দুইটি গাঁদা ফুলের পাপড়ি জাল দিতে হবে। এবার চায়ের মতো ছেঁকে নিয়ে তা পান করতে হবে। তবে গাঁদা ফুলগুলো যেন তাজা হয় এ ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। এই পানী রক্ত শোধন করে ত্বকের সতেজতা বাড়ায়।
দুধ ও কাঠবাদাম
এক গ্লাস দুধে পাঁচ থেকে ছয়টি কাঠবাদাম দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। যারা একটু পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন তাদের জন্য এই পানীয় অধিক কর্মক্ষমতা যোগাবে।
মধু-লেবু পানি
এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চা চামচ করে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। প্রতি সকালে খালি পেটে এই পানীয় পান করলে ত্বক সতেজ হয়ে উঠবে। কারণ লেবুর ভিটামিন সি আর মধুতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
আমলকী পানি
আমলকী শুকিয়ে নিতে হবে। এবার দুইটি শুকনো আমলকীকে ছেঁচে নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে এই পানি পান করা যেতে পারে। এটি চুলকে মসৃণ করতে এবং চুল পাকা রোধ করতে সাহায্য করে।
থানকুনি পাতার পানি
পাঁচ বা ছয়টি থানকুনি পাতা, আধা ইঞ্চি করে আদা ও কাঁচা হলুদ ও চারটি আমলকী পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর পানি ফেলে দিয়ে আবার ফ্রেশ পানি দিয়ে তা ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এই পানীয় ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।
অ্যালোভেরার শরবত
এক গ্লাস পানিতে একটি অ্যালোভেরার শাঁস, এক  চা চামচ মধু ও স্বাদমতো বিট লবণ মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এই পানীয় ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করবে।