ঢাকা ০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রবিবার থেকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস শুরু

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ
আগামী রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস অক্টোবর-২০১৭। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাইবার বিশেষজ্ঞরা সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল প্রযুক্তিবিদদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের (আইসাকা) ঢাকা চ্যাপ্টার। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ হাসান। বক্তব্য দেন আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি ওমর ফারুক খন্দকার, সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কাজী মুস্তাফিজ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রকৌশলী সৈয়দ জাহিদ হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ কাওসার উদ্দিন।
কাজী মুস্তাফিজ দেশে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের প্রেক্ষিতে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে জাতীয়ভাবে অক্টোবরকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কার্যক্রমে যতো অগ্রগতি হচ্ছে ততো বেশি সাইবার নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
আব্দুল্লাহ হাসান জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি আটটি সুপারিশ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা জনসচেতনতা তৈরি, এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা, সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গণসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাইবার ঝুঁকি চিহ্নিত, সাইবার নিরাপত্তার কাজে দেশি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দেয়া, গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে প্রশিক্ষিত জনবল বাড়ানো ও ইন্টারনেটের আইপি লগ সংরক্ষণে তথ্যপ্রযুক্তি আইন হালনাগাদ করা।
ওমর ফারুক খন্দকার বলেন, সাইবার নিরাপত্তায় দেশের বিপুল জনশক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজে লাগানো যেতে পারে। এতে তারা সাইবার নিরাপত্তার বিভিন্ন টুলস তৈরি করে সেগুলো আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করা সম্ভব।
তিনি বলেন, দেশের শিশুরা সাইবার অপরাধের ভুক্তভোগী হচ্ছে। দেশে আমদানি হওয়া স্মার্টফোনগুলো বয়সভিত্তিক ব্যবহারিক নিয়ন্ত্রণ সুবিধা তৈরি করা গেলে এ থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০০৪ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ২০১১ থেকে নরওয়ে এবং ২০১২ থেকে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশ অক্টোবরকে ‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস’ হিসেবে পালন করে আসছে। সাইবার ঝুঁকি থেকে নিরাপদে থাকতে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি নেওয়া হয় এই মাসে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ২০১৬ সাল থেকে অক্টোবর মাসটি পালনের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন। এ বছর সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যলায়েন্সের (এনসিএসএ) সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস-২০১৭ কার্যক্রমের অফিসিয়াল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

রবিবার থেকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস শুরু

আপডেট সময় ০৪:৫৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্কঃ
আগামী রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস অক্টোবর-২০১৭। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাইবার বিশেষজ্ঞরা সারা দেশে সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল প্রযুক্তিবিদদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ইনফরমেশন সিস্টেমস অডিট অ্যান্ড কন্ট্রোল অ্যাসোসিয়েশনের (আইসাকা) ঢাকা চ্যাপ্টার। এতে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ হাসান। বক্তব্য দেন আইসাকা ঢাকা চ্যাপ্টারের সেক্রেটারি ওমর ফারুক খন্দকার, সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক কাজী মুস্তাফিজ, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রকৌশলী সৈয়দ জাহিদ হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ কাওসার উদ্দিন।
কাজী মুস্তাফিজ দেশে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের প্রেক্ষিতে সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারকে জাতীয়ভাবে অক্টোবরকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের কার্যক্রমে যতো অগ্রগতি হচ্ছে ততো বেশি সাইবার নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
আব্দুল্লাহ হাসান জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি আটটি সুপারিশ করছেন। এর মধ্যে রয়েছে, সাইবার নিরাপত্তা জনসচেতনতা তৈরি, এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা, সাইবার নিরাপত্তায় দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গণসেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর সাইবার ঝুঁকি চিহ্নিত, সাইবার নিরাপত্তার কাজে দেশি প্রতিষ্ঠানকে গুরুত্ব দেয়া, গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে প্রশিক্ষিত জনবল বাড়ানো ও ইন্টারনেটের আইপি লগ সংরক্ষণে তথ্যপ্রযুক্তি আইন হালনাগাদ করা।
ওমর ফারুক খন্দকার বলেন, সাইবার নিরাপত্তায় দেশের বিপুল জনশক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজে লাগানো যেতে পারে। এতে তারা সাইবার নিরাপত্তার বিভিন্ন টুলস তৈরি করে সেগুলো আন্তর্জাতিকভাবে বাজারজাত করে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রাও অর্জন করা সম্ভব।
তিনি বলেন, দেশের শিশুরা সাইবার অপরাধের ভুক্তভোগী হচ্ছে। দেশে আমদানি হওয়া স্মার্টফোনগুলো বয়সভিত্তিক ব্যবহারিক নিয়ন্ত্রণ সুবিধা তৈরি করা গেলে এ থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ২০০৪ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ২০১১ থেকে নরওয়ে এবং ২০১২ থেকে ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশ অক্টোবরকে ‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস’ হিসেবে পালন করে আসছে। সাইবার ঝুঁকি থেকে নিরাপদে থাকতে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি নেওয়া হয় এই মাসে। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ২০১৬ সাল থেকে অক্টোবর মাসটি পালনের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন। এ বছর সংগঠনটি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যলায়েন্সের (এনসিএসএ) সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস-২০১৭ কার্যক্রমের অফিসিয়াল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।