ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রমজানে সুস্থ থাকতে

লাইফস্টাইল ডেস্ক, মুরাদনগর বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ
রমজান মাসে খাবারের সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে আসে খাবারের তালিকায়ও পরিবর্তন। হঠাত্ করে অভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকের ক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়। তবে কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখলে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে:
* অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া খাওয়া, খাবারের তালিকায় আঁঁশযুক্ত খাবার না থাকা ও পানি কম খাওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।
* অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ, বেশি ভাজা পোড়া, মশলাযুক্ত এবং চর্বিযুক্ত খাদ্যগ্রহণের কারণে পেট ফাঁপা ও হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
* পরিমিত ঘুম না হলে, অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে ও চা-কফি-ধূমপানের অভ্যাস থাকলে মাথাব্যথা হতে পারে।
* যাদের অ্যাসিডিটি ও আলসারের সমস্যা আছে সারাদিন না খাওয়ার কারণে বেড়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার, কফি এবং সফট ড্রিঙ্কস এই সমস্যাকে আরো বেশি বাড়িয়ে দেয়।
কেমন হবে খাদ্যাভ্যাস:
সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে অনেকেই অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ ও তেলযুক্ত খাবার খেয়ে থাকেন। সারাদিন খালি পেটে থাকার পর এধরনের খাবার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে পরিপাকে সমস্যা  ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।
* খাবারের লবণ পরিমাণ মতো খান। কেননা, লবণ বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বেশি লাগবে। অতিরিক্ত লবণ খেলে শরীরে পানিশূন্যতা বেড়ে যেতে পারে।
* সারাদিন রোজা রাখার কারণে পানির চাহিদা মেটাতে অনেকেই অতিরিক্ত চিনি দিয়ে শরবত খেয়ে থাকেন। চিনির ওপর যতটা সম্ভব নির্ভরতা কমিয়ে আনুন।
* ইফতার ও সেহরিতে যতোটা সম্ভব ফল ও শাক-সবজি রাখুন। এতে আপনার খাবার পরিপাকে সহায়তা করবে।
* সারাদিন পানি না খাওয়ার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। ইফতারের পর সময় নিয়ে নিয়ে অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করুন।
* অনেকেই সেহরি না খেয়ে রোজা রাখেন। কিন্তু এটি ঠিক নয়। কেননা,না খেয়ে রোজা রাখতে গেলে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
যেগুলো এড়িয়ে চলবেন: অত্যধিক খাদ্যগ্রহণ, ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার, মাত্রাতিরিক্ত চা পান  ও সফট ড্রিঙ্কস থেকে দূরে থাকুন।
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানে সুস্থ থাকতে

আপডেট সময় ০২:৩৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুন ২০১৬
লাইফস্টাইল ডেস্ক, মুরাদনগর বার্তা টোয়েন্টিফোর ডটকমঃ
রমজান মাসে খাবারের সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে আসে খাবারের তালিকায়ও পরিবর্তন। হঠাত্ করে অভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকের ক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে কষ্ট হয়। তবে কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখলে এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে:
* অতিরিক্ত ভাজা-পোড়া খাওয়া, খাবারের তালিকায় আঁঁশযুক্ত খাবার না থাকা ও পানি কম খাওয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে।
* অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ, বেশি ভাজা পোড়া, মশলাযুক্ত এবং চর্বিযুক্ত খাদ্যগ্রহণের কারণে পেট ফাঁপা ও হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে।
* পরিমিত ঘুম না হলে, অতিরিক্ত ক্ষুধা লাগলে ও চা-কফি-ধূমপানের অভ্যাস থাকলে মাথাব্যথা হতে পারে।
* যাদের অ্যাসিডিটি ও আলসারের সমস্যা আছে সারাদিন না খাওয়ার কারণে বেড়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার, কফি এবং সফট ড্রিঙ্কস এই সমস্যাকে আরো বেশি বাড়িয়ে দেয়।
কেমন হবে খাদ্যাভ্যাস:
সারাদিন রোজা রেখে ইফতারিতে অনেকেই অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ ও তেলযুক্ত খাবার খেয়ে থাকেন। সারাদিন খালি পেটে থাকার পর এধরনের খাবার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এতে পরিপাকে সমস্যা  ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।
* খাবারের লবণ পরিমাণ মতো খান। কেননা, লবণ বেশি খেলে পানির তৃষ্ণা বেশি লাগবে। অতিরিক্ত লবণ খেলে শরীরে পানিশূন্যতা বেড়ে যেতে পারে।
* সারাদিন রোজা রাখার কারণে পানির চাহিদা মেটাতে অনেকেই অতিরিক্ত চিনি দিয়ে শরবত খেয়ে থাকেন। চিনির ওপর যতটা সম্ভব নির্ভরতা কমিয়ে আনুন।
* ইফতার ও সেহরিতে যতোটা সম্ভব ফল ও শাক-সবজি রাখুন। এতে আপনার খাবার পরিপাকে সহায়তা করবে।
* সারাদিন পানি না খাওয়ার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয়। ইফতারের পর সময় নিয়ে নিয়ে অন্তত ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করুন।
* অনেকেই সেহরি না খেয়ে রোজা রাখেন। কিন্তু এটি ঠিক নয়। কেননা,না খেয়ে রোজা রাখতে গেলে শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
যেগুলো এড়িয়ে চলবেন: অত্যধিক খাদ্যগ্রহণ, ভাজাপোড়া খাবার, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার, মাত্রাতিরিক্ত চা পান  ও সফট ড্রিঙ্কস থেকে দূরে থাকুন।