ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য জরুরি : ড. মোশাররফ

জাতীয় ডেস্ক:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটে চীন, ভারত আমাদের পাশে নেই। তারা মিয়ানমারের পাশে। আজ যখন দেখতে পাই, সরকার কূটনৈতিকভাবে একা, তখন আমরা উদ্বিগ্ন। অথচ যখন চীনের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে এসেছিলেন, তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশ-চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আকাশচুম্বী। প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে ফিরে এসে বলেছিলেন, বাংলাদেশ-ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক হিমালয়ের সমান। বাস্তবতা হলো রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আজ সরকার কূটনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ভারত আর চীন সরকার রোহিঙ্গা বিষয় সরকারকে কোনো সহায়তা করছে না। ভারত মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করছে এবং তাদের দেশে কোনো শরণার্থী ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়তো রোহিঙ্গা বিষয়ে এমন কোনো কথা বলেছেন যে কারণে শেখ হাসিনা বললেন রোহিঙ্গা বিষয় আমেরিকার কাছে কিছু আশা করেন না। তাই আমরা মনে করি এই সংকট মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য জরুরি।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ আয়োজিত ‘বিচার বিভাগ, সরকার বাহাস: বাংলাদেশে আইনের শাসনের ভবিষ্যৎ’ এক শীর্ষক আলোচনায় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
বিএনপিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেন  বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে অহেতুক বিষোদগার করছেন। প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠন বলেছেন। তার এই বক্তব্যের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে এই ধরনের কথা দুর্ভাগ্যজনক। বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। এ দল পাঁচবার জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের কথা-বার্তা বলে দেশকে বিভক্ত করছেন। ২০১৪ সালের মতো ভবিষ্যতেও গায়ের জোরে ক্ষমতায় যাওয়ার ষড়যন্ত্র করছে আওয়ামী লীগ।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য জরুরি : ড. মোশাররফ

আপডেট সময় ১২:১১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
জাতীয় ডেস্ক:
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটে চীন, ভারত আমাদের পাশে নেই। তারা মিয়ানমারের পাশে। আজ যখন দেখতে পাই, সরকার কূটনৈতিকভাবে একা, তখন আমরা উদ্বিগ্ন। অথচ যখন চীনের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশে এসেছিলেন, তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশ-চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক আকাশচুম্বী। প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে ফিরে এসে বলেছিলেন, বাংলাদেশ-ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক হিমালয়ের সমান। বাস্তবতা হলো রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় আজ সরকার কূটনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ভারত আর চীন সরকার রোহিঙ্গা বিষয় সরকারকে কোনো সহায়তা করছে না। ভারত মিয়ানমারের কাছে অস্ত্র বিক্রি করছে এবং তাদের দেশে কোনো শরণার্থী ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়তো রোহিঙ্গা বিষয়ে এমন কোনো কথা বলেছেন যে কারণে শেখ হাসিনা বললেন রোহিঙ্গা বিষয় আমেরিকার কাছে কিছু আশা করেন না। তাই আমরা মনে করি এই সংকট মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য জরুরি।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পলিটিক্যাল স্টাডিজ আয়োজিত ‘বিচার বিভাগ, সরকার বাহাস: বাংলাদেশে আইনের শাসনের ভবিষ্যৎ’ এক শীর্ষক আলোচনায় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
বিএনপিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ হোসেন  বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসে প্রধানমন্ত্রী বিএনপির বিরুদ্ধে অহেতুক বিষোদগার করছেন। প্রধানমন্ত্রী বিএনপিকে সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠন বলেছেন। তার এই বক্তব্যের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে এই ধরনের কথা দুর্ভাগ্যজনক। বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল। এ দল পাঁচবার জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের কথা-বার্তা বলে দেশকে বিভক্ত করছেন। ২০১৪ সালের মতো ভবিষ্যতেও গায়ের জোরে ক্ষমতায় যাওয়ার ষড়যন্ত্র করছে আওয়ামী লীগ।