ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শত বছর ধরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি

মো: মোশাররফ হোসেন মনিরঃ

কথায় বলে, ‘ধ্যানের চর্চা হয় গুহায়, ধর্মের চর্চা হয় মসজিদ-মন্দিরে, নীতির চর্চা হয় পরিবারে, বিদ্যার চর্চা হয় বিদ্যালয়ে’। বিদ্যা চর্চার এমনি একটি শতবর্ষী বিদ্যাপীঠ ১০৩ বছর ধরে আজও  শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে সেটি হলো কুমিল্লা জেলা অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপীঠ জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজ। এই একাডেমি ও কলেজটিতে পড়াশুনা করছে প্রায় ২১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকের সংখ্যা ৪০ জন। একাডেমিতে রয়েছে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার। পাঠাগারে রয়েছে ১১৫৫ জন লেখকের ১৬০০টি পুস্তক।

এ ছাড়া সাময়িকী পত্র-পত্রিকা তো আছেই। বিজ্ঞানাগারে ২০৪ টি আইটেমে দু’হাজারেরও বেশি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ও ১টি কম্পিউটার ল্যাব সহ মোট ২টি ল্যাবরেটরি রয়েছে। একাডেমির মূল ভবনটি যে জায়গায় অবস্থিত তার পরিমান ২.৬৮ একর, সামনের খেলার মাঠটি ৪.১২ একর। এ ছাড়া দুরে গ্রামের গাংগাটিয়ার মাঠ নামে খ্যাত খেলার মাঠ যার পরিমান ২.৮৫ একর। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মোট জমির পরিমান প্রায় ৭.৬৫ একর। একাডেমির ভিতরে রয়েছে তিনটি দ্বি-তল বিশিষ্ট ভবন ও একটি পাকা মসজিদ।

১৯১৪ ইং সনের ৮ জানুয়ারি জাহাপুর এস্টেটের জমিদার বাবু গিরিশ চন্দ্র রায় এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা করেন। তার বাবা কমলাকান্ত রায়ের নাম অনুসারে প্রতিষ্ঠানটির নামকরন করা হয় জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি। বিদ্যালয়টি ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তা সরকারি স্বীকৃতি পায় ১৯১৭ সালে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময় শিক্ষা বিভাগের বেশ কিছু উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কলা বিভাগ শিক্ষার্থীরা অধ্যায়ন করলেও ১৯৬৬ সালে বিজ্ঞান ও ১৯৯৯ সালে ব্যাবসা বিভাগ চালু করা হয়। ১৯৬৮ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম ব্যাচে ১৩ জন অংশগ্রহন করে সকলেই উর্ত্তীন হয়।

এর মধ্যে এক জন প্রথম বিভাগ ৯ জন দ্বিতীয় বিভাগ ও ৩ জন তৃতীয় বিভাগ প্রাপ্তি হয়। ১৯৯৬ সালে মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রুপান্তর করা হলে সে থেকে জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজ নামে অবিহিত হয়। বর্তমানে ”জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজ” নামে পরিচিত।

আর তখনই ৪ কক্ষ বিশিষ্ঠ একটি পাকা ভবন নির্মান করা হয়। ১৯৯৮ সালে তৎকালিন স্থানীয় এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সহযোগিতায় মাধ্যমিক শাখায় ডাবল সিপ্ট চালু হয়।

এ বিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে যেমন সুনাম অর্জন করেছেন,  তেমনি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এখনো করছেন। বিদ্যালয়ের স্বনামধন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী হলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মরহুম আবদুস সালাম, এস.এ.কে.এম শফিক পিইঞ্জ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মরহুম খোরশেদুজ্জামান, আনোয়ারুজ্জামান, খাদ্য অধিদপ্তরেরর সাবেক রাজস্ব বিভাগের সার্কেল অফিসার মরহুম সামসুর রহমান, বাংলাদেশ সাঁটলিপি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও অধ্যাপক মরহুম জয়নাল আবেদিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক চীফ ইনষ্ট্রাকটর মরহুম রুসমত আলী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল হাসেম, ঢাকা ওয়াসার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো: দেলেয়ার হোসেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক ডি.জি.এম বাবু অজিত কুমার পাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড: নজরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ড: মো: এনামুল হক, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক যুগ্ম-সচিব শ্রী শাশঙ্কি শেখর রায়, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আবুল কাশেম ভূইয়া, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডেও সাবেক কন্ট্রোলার ড: মো: ফজলুল হক, সিলেট জেলা ও দায়রা জজ মো: ইসমাইল, পেট্রোবাংলার ম্যানেজার (বিক্র) মো: মঞ্জুরুল হক, ঢাকাস্থ বাংলাদেশ-কুয়েত মৈতী সমিতির সভাপতি আলী আশরাফ খান, গণ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাত্তার ভূইয়া, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কেমিষ্ট গোলাম সারোয়ার, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সংস্থার উপ-পরিচালক খলিলুর রহমান এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।

একাডেমির প্রাক্তন ছাত্র সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মো: ইসমাইল হোসেন বলেন, এই স্কুলে পড়ালেখা করে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে স্কুলের ছাত্ররা অনেকে ভালো জায়গায় চাকরি করছে। এখনো আমরা গর্বের সঙ্গে বলি আমরা জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজের ছাত্র। আশা রাখি এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরো এগিয়ে যাবে।

জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজের অধ্যক্ষ মো: আবদুল হক পাটোয়ারী জানান, ২০০৮ সালের ২১শে এপ্রিল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করার পর শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এই বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী একদিন দেশ পরিচালনার নেতৃত্ব দিবে বলে মনে করি। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি মানুষ গড়ার কারখানায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

শত বছর ধরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি

আপডেট সময় ০১:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৭
মো: মোশাররফ হোসেন মনিরঃ

কথায় বলে, ‘ধ্যানের চর্চা হয় গুহায়, ধর্মের চর্চা হয় মসজিদ-মন্দিরে, নীতির চর্চা হয় পরিবারে, বিদ্যার চর্চা হয় বিদ্যালয়ে’। বিদ্যা চর্চার এমনি একটি শতবর্ষী বিদ্যাপীঠ ১০৩ বছর ধরে আজও  শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে সেটি হলো কুমিল্লা জেলা অন্যতম প্রাচীন বিদ্যাপীঠ জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজ। এই একাডেমি ও কলেজটিতে পড়াশুনা করছে প্রায় ২১০০ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকের সংখ্যা ৪০ জন। একাডেমিতে রয়েছে একটি সমৃদ্ধ পাঠাগার। পাঠাগারে রয়েছে ১১৫৫ জন লেখকের ১৬০০টি পুস্তক।

এ ছাড়া সাময়িকী পত্র-পত্রিকা তো আছেই। বিজ্ঞানাগারে ২০৪ টি আইটেমে দু’হাজারেরও বেশি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ও ১টি কম্পিউটার ল্যাব সহ মোট ২টি ল্যাবরেটরি রয়েছে। একাডেমির মূল ভবনটি যে জায়গায় অবস্থিত তার পরিমান ২.৬৮ একর, সামনের খেলার মাঠটি ৪.১২ একর। এ ছাড়া দুরে গ্রামের গাংগাটিয়ার মাঠ নামে খ্যাত খেলার মাঠ যার পরিমান ২.৮৫ একর। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মোট জমির পরিমান প্রায় ৭.৬৫ একর। একাডেমির ভিতরে রয়েছে তিনটি দ্বি-তল বিশিষ্ট ভবন ও একটি পাকা মসজিদ।

১৯১৪ ইং সনের ৮ জানুয়ারি জাহাপুর এস্টেটের জমিদার বাবু গিরিশ চন্দ্র রায় এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা করেন। তার বাবা কমলাকান্ত রায়ের নাম অনুসারে প্রতিষ্ঠানটির নামকরন করা হয় জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি। বিদ্যালয়টি ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও তা সরকারি স্বীকৃতি পায় ১৯১৭ সালে। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর বিভিন্ন সময় শিক্ষা বিভাগের বেশ কিছু উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কলা বিভাগ শিক্ষার্থীরা অধ্যায়ন করলেও ১৯৬৬ সালে বিজ্ঞান ও ১৯৯৯ সালে ব্যাবসা বিভাগ চালু করা হয়। ১৯৬৮ সালে প্রথম এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম ব্যাচে ১৩ জন অংশগ্রহন করে সকলেই উর্ত্তীন হয়।

এর মধ্যে এক জন প্রথম বিভাগ ৯ জন দ্বিতীয় বিভাগ ও ৩ জন তৃতীয় বিভাগ প্রাপ্তি হয়। ১৯৯৬ সালে মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে রুপান্তর করা হলে সে থেকে জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজ নামে অবিহিত হয়। বর্তমানে ”জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজ” নামে পরিচিত।

আর তখনই ৪ কক্ষ বিশিষ্ঠ একটি পাকা ভবন নির্মান করা হয়। ১৯৯৮ সালে তৎকালিন স্থানীয় এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সহযোগিতায় মাধ্যমিক শাখায় ডাবল সিপ্ট চালু হয়।

এ বিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী দেশে-বিদেশে যেমন সুনাম অর্জন করেছেন,  তেমনি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং এখনো করছেন। বিদ্যালয়ের স্বনামধন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী হলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মরহুম আবদুস সালাম, এস.এ.কে.এম শফিক পিইঞ্জ, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মরহুম খোরশেদুজ্জামান, আনোয়ারুজ্জামান, খাদ্য অধিদপ্তরেরর সাবেক রাজস্ব বিভাগের সার্কেল অফিসার মরহুম সামসুর রহমান, বাংলাদেশ সাঁটলিপি একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও অধ্যাপক মরহুম জয়নাল আবেদিন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক চীফ ইনষ্ট্রাকটর মরহুম রুসমত আলী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল হাসেম, ঢাকা ওয়াসার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো: দেলেয়ার হোসেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক ডি.জি.এম বাবু অজিত কুমার পাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড: নজরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ড: মো: এনামুল হক, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক যুগ্ম-সচিব শ্রী শাশঙ্কি শেখর রায়, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক আবুল কাশেম ভূইয়া, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডেও সাবেক কন্ট্রোলার ড: মো: ফজলুল হক, সিলেট জেলা ও দায়রা জজ মো: ইসমাইল, পেট্রোবাংলার ম্যানেজার (বিক্র) মো: মঞ্জুরুল হক, ঢাকাস্থ বাংলাদেশ-কুয়েত মৈতী সমিতির সভাপতি আলী আশরাফ খান, গণ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আবদুস সাত্তার ভূইয়া, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কেমিষ্ট গোলাম সারোয়ার, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সংস্থার উপ-পরিচালক খলিলুর রহমান এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।

একাডেমির প্রাক্তন ছাত্র সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মো: ইসমাইল হোসেন বলেন, এই স্কুলে পড়ালেখা করে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন স্থানে স্কুলের ছাত্ররা অনেকে ভালো জায়গায় চাকরি করছে। এখনো আমরা গর্বের সঙ্গে বলি আমরা জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজের ছাত্র। আশা রাখি এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আরো এগিয়ে যাবে।

জাহাপুর কমলাকান্ত একাডেমি ও কলেজের অধ্যক্ষ মো: আবদুল হক পাটোয়ারী জানান, ২০০৮ সালের ২১শে এপ্রিল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করার পর শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এই বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী একদিন দেশ পরিচালনার নেতৃত্ব দিবে বলে মনে করি। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি মানুষ গড়ার কারখানায় পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাব।