ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করল লাকী আখন্দকে

শাহীন আলম:

রাজধানীর মিরপুর-১  শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শেষনিদ্রায় শায়িত হলেন মুক্তিযোদ্ধা, সুরকার, সংগীত পরিচালক লাকী আখন্দ। শিল্পীকে ফুলে ফুলে জানানো হলো শেষবিদায়।

শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল শনিবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হয়েছেন দেশের নন্দিত ও জনপ্রিয় তারকা শিল্পীরা। বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি একে একে জড়ো হয়েছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রায় সর্বস্তরের মানুষ। প্রিয় এ মানুষটির কফিনের পাশে ফুল রেখে শেষবার দেখে নিয়েছেন নি:শব্দ মুখটি। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অনেকেই জানান প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনার কথা।

এর আগে সকাল ১০টায় লাকী আখন্দের নিজস্ব বাসভবন সংলগ্ন আরমানিটোলা জামে মসজিদ মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গার্ড অব অনার প্রদান শেষে সর্বসাধারণ তাকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়।

এসময় পরিবারের সদস্য, স্বজন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামন নূর, টিভি ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, ফরিদুর রেজা সাগর, সংগীত শিল্পী নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, তিমির নন্দী, ফোয়াদ নাসের বাবু, কাজী হাবলু, নকীব খান, খুরশীদ আলম, ফকির আলমগীর, ওয়ারফেইজের টিপু, মাইলসের মানাম আহমেদ, বিজন মিস্ত্রী, তানভীর আলম সজীব, বেলাল খান, অদিত, গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, আসিফ ইকবাল, কবির বকুল, অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ প্রমুখ।
লাকী আখন্দের মৃত্যুর খবরে শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ অনেকে। লাকী আখন্দের সুর করা গান সত্তর ও আশির দশকে তরুণ প্রজন্মের মুখে মুখে ফিরেছে। ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’ থেকে শুরু করে ‘আবার এল যে সন্ধ্যা’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ প্রভৃতি গান কালের সীমানা ডিঙিয়ে এখনো সমান জনপ্রিয়। জেমসের গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘লিখতে পারি না কোনো গান’ লাকীর সুর করা। সমকালীন কণ্ঠশিল্পীরা তাঁকে বলেন সুরের ‘বরপুত্র’।

লাকী আখন্দের মেয়ে মাম্মিন্ত বলেন, ‘আমি দুটো কথা বলতে চাই। আমার বাবা দেশের জন্য কষ্ট করেছেন। যুদ্ধ করেছেন। মিউজিক করে সবাইকে সুখ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি দেশ ও মিউজিক ভালোবাসতেন। অসুস্থ অবস্থায়ও গান করেছেন, দেশের কথা ভেবেছেন। তার জন্য দোয়া করবেন, এটুকুই প্রত্যাশা সবার কাছে।
লাকী আখন্দের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক : বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতজ্ঞ লাকী আখন্দের মৃত্যুতে শোক এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

লাকী আখন্দের মৃত্যুতে খালেদা জিয়ার শোক : বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী লাকী আখন্দের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শনিবার এক শোক বার্তায় তিনি ‘লাকী আখন্দের মৃত্যুতে দেশের সংগীত প্রিয় মানুষের মতো আমিও গভীরভাবে সমব্যথী। তিনি ছিলেন দেশের জনপ্রিয় ও গুণী কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে অন্যতম। লাকী আখন্দের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

 

বৃষ্টি উপেক্ষা করে লাকী আখন্দকে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা : টানা আড়াই মাস হাসপাতাল জীবন শেষে গত সপ্তাহে আরমানিটোলার নিজ বাসায় ফিরেছিলেন কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী লাকী আখন্দ। ২১ এপ্রিল দুপুর নাগাদ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। সন্ধ্যার আগে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকী আখন্দকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘তার গান এ দেশের মানুষ মনে রাখবেন। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা-শব্দসৈনিক আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল। তার কন্যাকে বলতে চাই, আমাদের পক্ষ থেকে যা করণীয়, সেটা করবো। আপনাদের কোনও প্রত্যাশা থাকলেও জানাবেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা ও আমার বন্ধু লাকীর জন্য যা করণীয় আমি করব। কথা দিলাম।

কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম বলেন, ‘আমার বয়স ৭২। আর উনার মাত্র ৬১। অথচ আমার আগেই চলে গেলেন! এই তো সেদিন মোটামুটি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছিলো- জানতাম হয়তো সময় বেশি নেই। তবুও মনে জোর পেয়েছি সুস্থতার কথা শুনে। হাসপাতাল থেকে খুশি মনে বাসায় ফেরার কয়েকদিনের মাথায় এভাবে হুট করে চলে যাওয়া- খুবই কষ্টের। একসঙ্গে কাজ করেছি। সংগীতশিল্পীরা যেমন হয় আত্মভোলা, অহংকারবিহীন- সেটা তার মধ্যে ছিল পরিপূর্ণ। তিনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন- এই দোয়া করি।’

কিংবদন্তী এই শিল্পীর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার খলিলপুর গ্রামে। ছোট বেলা থেকেই তিনি পুরান ঢাকার  আরমানিটোলায় পৈত্রিক বাড়িতে বেড়ে উঠেন।  তবে গ্রামের বাড়িতে এখন আর কেউ থাকেন না।
লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে- ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃষ্ণা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’, ‘লিখতে পারি না কোনও গান’, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন লাকী আখন্দ। তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

শেষ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করল লাকী আখন্দকে

আপডেট সময় ০৩:১২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ এপ্রিল ২০১৭
শাহীন আলম:

রাজধানীর মিরপুর-১  শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শেষনিদ্রায় শায়িত হলেন মুক্তিযোদ্ধা, সুরকার, সংগীত পরিচালক লাকী আখন্দ। শিল্পীকে ফুলে ফুলে জানানো হলো শেষবিদায়।

শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গতকাল শনিবার সকাল ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হয়েছেন দেশের নন্দিত ও জনপ্রিয় তারকা শিল্পীরা। বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি একে একে জড়ো হয়েছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রায় সর্বস্তরের মানুষ। প্রিয় এ মানুষটির কফিনের পাশে ফুল রেখে শেষবার দেখে নিয়েছেন নি:শব্দ মুখটি। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অনেকেই জানান প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনার কথা।

এর আগে সকাল ১০টায় লাকী আখন্দের নিজস্ব বাসভবন সংলগ্ন আরমানিটোলা জামে মসজিদ মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গার্ড অব অনার প্রদান শেষে সর্বসাধারণ তাকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়।

এসময় পরিবারের সদস্য, স্বজন ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামন নূর, টিভি ব্যক্তিত্ব হাসান ইমাম, ফরিদুর রেজা সাগর, সংগীত শিল্পী নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, তিমির নন্দী, ফোয়াদ নাসের বাবু, কাজী হাবলু, নকীব খান, খুরশীদ আলম, ফকির আলমগীর, ওয়ারফেইজের টিপু, মাইলসের মানাম আহমেদ, বিজন মিস্ত্রী, তানভীর আলম সজীব, বেলাল খান, অদিত, গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার, শহীদুল্লাহ ফরায়জী, আসিফ ইকবাল, কবির বকুল, অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ প্রমুখ।
লাকী আখন্দের মৃত্যুর খবরে শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরসহ অনেকে। লাকী আখন্দের সুর করা গান সত্তর ও আশির দশকে তরুণ প্রজন্মের মুখে মুখে ফিরেছে। ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’ থেকে শুরু করে ‘আবার এল যে সন্ধ্যা’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ প্রভৃতি গান কালের সীমানা ডিঙিয়ে এখনো সমান জনপ্রিয়। জেমসের গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘লিখতে পারি না কোনো গান’ লাকীর সুর করা। সমকালীন কণ্ঠশিল্পীরা তাঁকে বলেন সুরের ‘বরপুত্র’।

লাকী আখন্দের মেয়ে মাম্মিন্ত বলেন, ‘আমি দুটো কথা বলতে চাই। আমার বাবা দেশের জন্য কষ্ট করেছেন। যুদ্ধ করেছেন। মিউজিক করে সবাইকে সুখ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তিনি দেশ ও মিউজিক ভালোবাসতেন। অসুস্থ অবস্থায়ও গান করেছেন, দেশের কথা ভেবেছেন। তার জন্য দোয়া করবেন, এটুকুই প্রত্যাশা সবার কাছে।
লাকী আখন্দের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শোক : বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও সংগীতজ্ঞ লাকী আখন্দের মৃত্যুতে শোক এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

লাকী আখন্দের মৃত্যুতে খালেদা জিয়ার শোক : বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী লাকী আখন্দের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দু:খ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শনিবার এক শোক বার্তায় তিনি ‘লাকী আখন্দের মৃত্যুতে দেশের সংগীত প্রিয় মানুষের মতো আমিও গভীরভাবে সমব্যথী। তিনি ছিলেন দেশের জনপ্রিয় ও গুণী কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে অন্যতম। লাকী আখন্দের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

 

বৃষ্টি উপেক্ষা করে লাকী আখন্দকে শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা : টানা আড়াই মাস হাসপাতাল জীবন শেষে গত সপ্তাহে আরমানিটোলার নিজ বাসায় ফিরেছিলেন কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী লাকী আখন্দ। ২১ এপ্রিল দুপুর নাগাদ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। সন্ধ্যার আগে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকী আখন্দকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, ‘তার গান এ দেশের মানুষ মনে রাখবেন। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা-শব্দসৈনিক আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল। তার কন্যাকে বলতে চাই, আমাদের পক্ষ থেকে যা করণীয়, সেটা করবো। আপনাদের কোনও প্রত্যাশা থাকলেও জানাবেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা ও আমার বন্ধু লাকীর জন্য যা করণীয় আমি করব। কথা দিলাম।

কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম বলেন, ‘আমার বয়স ৭২। আর উনার মাত্র ৬১। অথচ আমার আগেই চলে গেলেন! এই তো সেদিন মোটামুটি সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছিলো- জানতাম হয়তো সময় বেশি নেই। তবুও মনে জোর পেয়েছি সুস্থতার কথা শুনে। হাসপাতাল থেকে খুশি মনে বাসায় ফেরার কয়েকদিনের মাথায় এভাবে হুট করে চলে যাওয়া- খুবই কষ্টের। একসঙ্গে কাজ করেছি। সংগীতশিল্পীরা যেমন হয় আত্মভোলা, অহংকারবিহীন- সেটা তার মধ্যে ছিল পরিপূর্ণ। তিনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন- এই দোয়া করি।’

কিংবদন্তী এই শিল্পীর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার খলিলপুর গ্রামে। ছোট বেলা থেকেই তিনি পুরান ঢাকার  আরমানিটোলায় পৈত্রিক বাড়িতে বেড়ে উঠেন।  তবে গ্রামের বাড়িতে এখন আর কেউ থাকেন না।
লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে- ‘এই নীল মনিহার’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃষ্ণা জীবনে আমার’, ‘কি করে বললে তুমি’, ‘লিখতে পারি না কোনও গান’, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন লাকী আখন্দ। তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর।