ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সংলাপে যেসব প্রস্তাবনা দিয়েছে বিএনপি

জাতীয় ডেস্কঃ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংলাপে ২০টি প্রস্তাবনা দিয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ দল বিএনপি।

রোববার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পৌনে তিন ঘণ্টার সংলাপ শেষে এ তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রস্তাবনার সারসংক্ষেপ জানাতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করতে হবে।

প্রস্তাবনাগুলো হলো-
* নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

* বর্তমান সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

* ১/১১ সরকার কর্তৃক বিএনপি চেয়ারপারসনসহ সব নেতার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

* বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেসব মামলা হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে।

* গ্রেফতারকৃত সব নেতাকর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

* বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গুম, খুন, হয়রানি ও নানাভাবে ভীতি দেখানো বন্ধ করতে হবে।

* এখন থেকেই সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশসহ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।

* রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের কার্যকর সংলাপের উদ্যোগ নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে।

* সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণে ইভিএম ডিভিএম ব্যবহার করা যাবে না।

* প্রতিরক্ষা বাহানীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদানসহ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে তাদের কেন্দ্রের দায়িত্ব দিতে হবে।

* সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন বিধি-বিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।

* ২০০৮ সালের পূর্বে সংসদীয় আসনে যে সীমানা ছিল তা পুনর্বহাল রাখতে হবে। ব্যতিক্রম করতে হলে রাজনৈতিক দল বা জোটের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে করতে হবে।

* প্রশাসনকে অবশ্যই দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করতে হবে।

* নির্বাচনের ছয় মাস পূর্বে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল করে স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

* প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয়সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

* নির্বাচনের দিন মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক চালু রাখতে হবে।

* গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করতে হবে।

* নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

* অধিকসংখ্যায় বিদেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে উৎসাহী করতে আগমন সহজীকরণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

* দেশীয় পর্যবেক্ষক ও পর্যবেক্ষণ সংস্থার মনোনয়ন ও নিবন্ধনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে মুরাদনগরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

সংলাপে যেসব প্রস্তাবনা দিয়েছে বিএনপি

আপডেট সময় ০১:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সংলাপে ২০টি প্রস্তাবনা দিয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ দল বিএনপি।

রোববার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পৌনে তিন ঘণ্টার সংলাপ শেষে এ তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রস্তাবনার সারসংক্ষেপ জানাতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করতে হবে।

প্রস্তাবনাগুলো হলো-
* নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

* বর্তমান সংসদ ভেঙে দিতে হবে।

* ১/১১ সরকার কর্তৃক বিএনপি চেয়ারপারসনসহ সব নেতার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

* বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যেসব মামলা হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে।

* গ্রেফতারকৃত সব নেতাকর্মীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

* বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গুম, খুন, হয়রানি ও নানাভাবে ভীতি দেখানো বন্ধ করতে হবে।

* এখন থেকেই সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশসহ স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা নিশ্চিত করতে হবে।

* রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সরকারের কার্যকর সংলাপের উদ্যোগ নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে।

* সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণে ইভিএম ডিভিএম ব্যবহার করা যাবে না।

* প্রতিরক্ষা বাহানীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রদানসহ নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে তাদের কেন্দ্রের দায়িত্ব দিতে হবে।

* সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন-কানুন বিধি-বিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে।

* ২০০৮ সালের পূর্বে সংসদীয় আসনে যে সীমানা ছিল তা পুনর্বহাল রাখতে হবে। ব্যতিক্রম করতে হলে রাজনৈতিক দল বা জোটের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে করতে হবে।

* প্রশাসনকে অবশ্যই দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করতে হবে।

* নির্বাচনের ছয় মাস পূর্বে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল করে স্থানীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

* প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয়সংখ্যক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

* নির্বাচনের দিন মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক চালু রাখতে হবে।

* গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা বাতিল করতে হবে।

* নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশীশক্তির ব্যবহার বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

* অধিকসংখ্যায় বিদেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে উৎসাহী করতে আগমন সহজীকরণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

* দেশীয় পর্যবেক্ষক ও পর্যবেক্ষণ সংস্থার মনোনয়ন ও নিবন্ধনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।