ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সন্ত্রাসী, উগ্রবাদীরা জাহান্নামী জিহাদীরা জান্নাতি-ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ

জাতীয় ডেস্কঃ

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ঢাকা মহানগর আয়োজিত ‘সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও ইসলাম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ওমরগণি এম.ইএস কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসাইন বলেছেন, বর্তমানে প্রচলিত জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ ইসলামের জিহাদের সম্পূর্ণ বিপরীত।

রাসূল সা.এর নেতৃত্বে ২৬টি জিহাদে  কোন নিরীহ মানুষ, নারী ও শিশু হত্যার শিকার হয়নি এবং তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে প্রকৃৃত জিহাদ। তিনি বলেন, রাসূল সা. অন্যকোন ধর্মের ধর্মযাজককেও হত্যার নিষেধ করেছেন।

তিনি বলেন, আল্লাহু আকবার বলে হত্যা করলেই সে মুসলমান হয় না। যেমন খারেজীরা হযরত আলী রা.কে আল্লাহর জিকির করতে করতে হত্যা করেছিল, এদের কেউ মুসলমান ছিল না। তিনি বলেন, জিহাদীরা (মুজাহিদ) জান্নাতী, আর জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা জাহান্নামী।

আইএস-এর বিষয়ে তিনি বলেন, এ জঙ্গিবাদী দলটির সকল নেতাই ইহুদি বংশগত। বাংলাদেশে আইএস বলতে কিছু নেই। আমেরিকা বার বার আইএস-এর ধোয়া তুলে বাংলাদেশে তাদের ঘাঁটি বানাতে চায়। তিনি জঙ্গিবাদ দমনে সকল পর্যায়ের  শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানান। তিনি জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে সকল ধর্মের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব এর কনফারেঞ্চ লাউঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বক্তব্য রাখছিলেন। সংগঠনের আহ্বায়ক মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ এর সভাপতিত্বে এবং নগর সদস্য সচিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ এর সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী ড. মাওলানা ঈসা শাহেদী, মেজর [অব:] আখতারুজ্জামান, প্রফেসর ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকি আন নদভী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কবি মুহিব খান, মুফতি অহিদুল আলম, মাওলানা আব্দুর রহিম কাসেমি, মাওলানা আনসার আহমদ (পীর সাহেব কুমিল্লা), মাওলানা মাহমুদুর রহমান, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মুফতি রফিকুন্নবী হক্কানী, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় ড. কেএম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিল, তারা আল্লাহু আকবার বলেই হত্যা করেছিল। তিনি বলেন, সকল উগ্রবাদীতার মূলে রয়েছে জামাতে ইসলামী। শায়েখ আব্দুর রহমান, বাংলাভাই তাদেরই সৃষ্টি।

সভায় অলোচকবৃন্দ বলেন, কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা সন্ত্রাস, উগ্রবাদের অজুহাতে “জিহাদ” নামক এক মহান ইবাদতকে কলুষিত করে বক্তব্য দিচ্ছে। সন্ত্রাসীরা কখনো মুজাহিদ হতে পারে না। জিহাদী বইয়ের নামে মূলত: আজ কুরআন বাতিলের চক্রান্ত চলছে। সরকারকে অনুরোধ করে বলবো জিহাদী বইয়ের তালিকা প্রনয়ন করে জাতির সামনে প্রকাশ করুন। জঙ্গীবাদের নামে মাদরাসাগুলোতে প্রতিনিয়ত হয়রানি চালানো হচ্ছে। যদিও সরকার বলছে মাদরাসাতে কোনো জঙ্গী নাই, ফলে নীরব হয়রানীতে অসংখ্য মসজিদ মাদরাসা হুমকির মুখে। নির্বিগ্নে মসজিদে মুসল্লিরা ইবাদত-বন্দেগী, তাবলিগী কাজ, যিকির আজকার তেলাওয়াত করতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনকে এসব বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।

ট্যাগস

সন্ত্রাসী, উগ্রবাদীরা জাহান্নামী জিহাদীরা জান্নাতি-ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ

আপডেট সময় ০৫:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০১৬
জাতীয় ডেস্কঃ

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ঢাকা মহানগর আয়োজিত ‘সন্ত্রাস, উগ্রবাদ ও ইসলাম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ওমরগণি এম.ইএস কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসাইন বলেছেন, বর্তমানে প্রচলিত জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ ইসলামের জিহাদের সম্পূর্ণ বিপরীত।

রাসূল সা.এর নেতৃত্বে ২৬টি জিহাদে  কোন নিরীহ মানুষ, নারী ও শিশু হত্যার শিকার হয়নি এবং তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে প্রকৃৃত জিহাদ। তিনি বলেন, রাসূল সা. অন্যকোন ধর্মের ধর্মযাজককেও হত্যার নিষেধ করেছেন।

তিনি বলেন, আল্লাহু আকবার বলে হত্যা করলেই সে মুসলমান হয় না। যেমন খারেজীরা হযরত আলী রা.কে আল্লাহর জিকির করতে করতে হত্যা করেছিল, এদের কেউ মুসলমান ছিল না। তিনি বলেন, জিহাদীরা (মুজাহিদ) জান্নাতী, আর জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা জাহান্নামী।

আইএস-এর বিষয়ে তিনি বলেন, এ জঙ্গিবাদী দলটির সকল নেতাই ইহুদি বংশগত। বাংলাদেশে আইএস বলতে কিছু নেই। আমেরিকা বার বার আইএস-এর ধোয়া তুলে বাংলাদেশে তাদের ঘাঁটি বানাতে চায়। তিনি জঙ্গিবাদ দমনে সকল পর্যায়ের  শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানান। তিনি জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে সকল ধর্মের নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব এর কনফারেঞ্চ লাউঞ্জে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বক্তব্য রাখছিলেন। সংগঠনের আহ্বায়ক মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ এর সভাপতিত্বে এবং নগর সদস্য সচিব মুফতি মুহিব্বুল্লাহ এর সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী ড. মাওলানা ঈসা শাহেদী, মেজর [অব:] আখতারুজ্জামান, প্রফেসর ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান, অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকি আন নদভী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কবি মুহিব খান, মুফতি অহিদুল আলম, মাওলানা আব্দুর রহিম কাসেমি, মাওলানা আনসার আহমদ (পীর সাহেব কুমিল্লা), মাওলানা মাহমুদুর রহমান, মাওলানা ইউনুস ঢালী, মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, মুফতি রফিকুন্নবী হক্কানী, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচনা সভায় ড. কেএম সাইফুল ইসলাম খান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে যারা হত্যা করেছিল, তারা আল্লাহু আকবার বলেই হত্যা করেছিল। তিনি বলেন, সকল উগ্রবাদীতার মূলে রয়েছে জামাতে ইসলামী। শায়েখ আব্দুর রহমান, বাংলাভাই তাদেরই সৃষ্টি।

সভায় অলোচকবৃন্দ বলেন, কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা সন্ত্রাস, উগ্রবাদের অজুহাতে “জিহাদ” নামক এক মহান ইবাদতকে কলুষিত করে বক্তব্য দিচ্ছে। সন্ত্রাসীরা কখনো মুজাহিদ হতে পারে না। জিহাদী বইয়ের নামে মূলত: আজ কুরআন বাতিলের চক্রান্ত চলছে। সরকারকে অনুরোধ করে বলবো জিহাদী বইয়ের তালিকা প্রনয়ন করে জাতির সামনে প্রকাশ করুন। জঙ্গীবাদের নামে মাদরাসাগুলোতে প্রতিনিয়ত হয়রানি চালানো হচ্ছে। যদিও সরকার বলছে মাদরাসাতে কোনো জঙ্গী নাই, ফলে নীরব হয়রানীতে অসংখ্য মসজিদ মাদরাসা হুমকির মুখে। নির্বিগ্নে মসজিদে মুসল্লিরা ইবাদত-বন্দেগী, তাবলিগী কাজ, যিকির আজকার তেলাওয়াত করতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনকে এসব বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।