ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘সরকারের জুলুম নির্যাতন এমকে আনোয়ারকে আর স্পর্শ করবে না’

জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ারের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এম কে আনোয়ারের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলের শীর্ষনেতারাও।
সেখানে এমকে আনোয়ারের দ্বিতীয় নামাজে জানাজার আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এমকে আনোয়ার আপসহীন সৈনিক ছিলেন। যে কারণে শেষ বয়সেও সরকারের জেল-জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এখন সরকারের জুলুম-নির্যাতন তাকে আর স্পর্শ করবে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য সোমবার রাত একটা ২০ মিনিটে রাজধানীর কাটাবনের এলিফ্যান্ড রোডের নিজ বাসভবনে মারা যান। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কাটাবন মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লাশ আনা হয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে।
বেলা ১১টা ৫৭ মিনিটে তার দ্বিতীয় জানাজা নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার কুমিল্লার তিতাসে চতুর্থ জানাজা ও নিজ এলাকা হোমনায় পঞ্চম জানাজা শেষে বর্ষীয়ান এই নেতাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ সময় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যার আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং ধর্মপ্রাণ হাজারও মুসল্লি অংশ নেন।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

‘সরকারের জুলুম নির্যাতন এমকে আনোয়ারকে আর স্পর্শ করবে না’

আপডেট সময় ০১:৩৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ারের মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এম কে আনোয়ারের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলের শীর্ষনেতারাও।
সেখানে এমকে আনোয়ারের দ্বিতীয় নামাজে জানাজার আগে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এমকে আনোয়ার আপসহীন সৈনিক ছিলেন। যে কারণে শেষ বয়সেও সরকারের জেল-জুলুম-নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। এখন সরকারের জুলুম-নির্যাতন তাকে আর স্পর্শ করবে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য সোমবার রাত একটা ২০ মিনিটে রাজধানীর কাটাবনের এলিফ্যান্ড রোডের নিজ বাসভবনে মারা যান। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কাটাবন মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে লাশ আনা হয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে।
বেলা ১১টা ৫৭ মিনিটে তার দ্বিতীয় জানাজা নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার কুমিল্লার তিতাসে চতুর্থ জানাজা ও নিজ এলাকা হোমনায় পঞ্চম জানাজা শেষে বর্ষীয়ান এই নেতাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এ সময় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যার আবদুল্লাহ আল নোমান, ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং ধর্মপ্রাণ হাজারও মুসল্লি অংশ নেন।