ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার পর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা এক মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ বাড়াতে পারেনি–ইউসুফ আব্দুল্লাহ এমপি

মো: হাবিবুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

আওয়ামীলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপি বলেছেন, ১৯৭১ সালে মুরাদনগর উপজেলার জন্য বিদ্যুতের বরাদ্দ ছিল মাত্র ৮ মেঘাওয়াট। স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল তারা এক মেঘাওয়াট বিদ্যুৎও বাড়াতে পারেনি। তখন মুরাদনগরের জনগন ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিদ্যুৎ পেতো মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘন্টা। আমি ২০১৪ সালে মুরাদনগর বাসীর দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ৮ মেঘাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ৩২ মেঘাওয়াটে উন্নীত করেছি।

বর্তমানে মুরাদনগর বাসী বিদ্যুতের সুফল ভোগ করছে ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা। ২০১৮ সালের মধ্যে মুরাদনগর উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনার জন্য সাতমোড়া ও কামাল্লাতে দু’টি সাব ষ্টেশনের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে এ দু’টি সাব ষ্টেশন থেকে আরো ২০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ মুরাদনগর বাসীর জন্য যোগ করতে পারব বলে আশা করছি। তাহলে আগামী ২৫ বছর মুরাদনগর উপজেলায় বিদ্যুতের আর কোন ঘাটতি থাকবে না।

আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপি শনিবার বিকেলে মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের মেলামচর গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথী দত্ত, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম হাবিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আবু মুছা সরকার। সমাজ সেবক হাজী ইসমাইল হোসেন ভুইয়ার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি প্রদ্যুৎ কুমার সাহা, থানা ছাত্রলীগের আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ নাহিদ, মেলামচর স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। এতে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য খাইরুল আলম সাধন, থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান, প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান ও থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সফিকুল ইসলাম তুহিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা শাহজাহান মিয়া ও গীতা পাঠ করেন সুনীল চন্দ্র সাহা।

উল্লেখ্য, সরকারের ৬৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা ব্যয়ে মেলামচর, ভেষেরপাড়া, বাগলখোলা, দিয়াখোলা ও পাটুয়াটুলি গ্রামের জন্য  সাড়ে চার কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ করা হয়। নির্মিত লাইনে ৪৬৬টি পরিবার বিদ্যুতের আওতায় আসায় গ্রামগুলো শতভাগ বিদ্যুতায়িত হয়েছে বলে জানা গেছে

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

স্বাধীনতার পর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা এক মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ বাড়াতে পারেনি–ইউসুফ আব্দুল্লাহ এমপি

আপডেট সময় ০২:৫৯:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
মো: হাবিবুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

আওয়ামীলীগ কেন্দ্রিয় কমিটির সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপি বলেছেন, ১৯৭১ সালে মুরাদনগর উপজেলার জন্য বিদ্যুতের বরাদ্দ ছিল মাত্র ৮ মেঘাওয়াট। স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিল তারা এক মেঘাওয়াট বিদ্যুৎও বাড়াতে পারেনি। তখন মুরাদনগরের জনগন ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিদ্যুৎ পেতো মাত্র ৩ থেকে ৪ ঘন্টা। আমি ২০১৪ সালে মুরাদনগর বাসীর দায়িত্ব গ্রহণের পর মাত্র ৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ৮ মেঘাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ৩২ মেঘাওয়াটে উন্নীত করেছি।

বর্তমানে মুরাদনগর বাসী বিদ্যুতের সুফল ভোগ করছে ১৮ থেকে ২০ ঘন্টা। ২০১৮ সালের মধ্যে মুরাদনগর উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আনার জন্য সাতমোড়া ও কামাল্লাতে দু’টি সাব ষ্টেশনের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে এ দু’টি সাব ষ্টেশন থেকে আরো ২০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ মুরাদনগর বাসীর জন্য যোগ করতে পারব বলে আশা করছি। তাহলে আগামী ২৫ বছর মুরাদনগর উপজেলায় বিদ্যুতের আর কোন ঘাটতি থাকবে না।

আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপি শনিবার বিকেলে মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের মেলামচর গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথী দত্ত, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম হাবিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আবু মুছা সরকার। সমাজ সেবক হাজী ইসমাইল হোসেন ভুইয়ার সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষক লীগের সহ-সভাপতি প্রদ্যুৎ কুমার সাহা, থানা ছাত্রলীগের আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ নাহিদ, মেলামচর স্কুলের প্রধান শিক্ষক মনিরুল ইসলাম। এতে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদ সদস্য খাইরুল আলম সাধন, থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান, প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান ও থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক সফিকুল ইসলাম তুহিন প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা শাহজাহান মিয়া ও গীতা পাঠ করেন সুনীল চন্দ্র সাহা।

উল্লেখ্য, সরকারের ৬৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা ব্যয়ে মেলামচর, ভেষেরপাড়া, বাগলখোলা, দিয়াখোলা ও পাটুয়াটুলি গ্রামের জন্য  সাড়ে চার কিলোমিটার বিদ্যুৎ লাইন নির্মাণ করা হয়। নির্মিত লাইনে ৪৬৬টি পরিবার বিদ্যুতের আওতায় আসায় গ্রামগুলো শতভাগ বিদ্যুতায়িত হয়েছে বলে জানা গেছে