ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৪৫ কোটি টাকার সাপের বিষসহ গ্রেফতার ১

জাতয়ী ডেস্কঃ
ফ্রান্স থেকে আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সহায়তায় ৪৫ কোটি টাকার কোবরা সাপের বিষ আনা হয়। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডির ৮/এ নম্বর সড়কের ৭২ নম্বর বাড়ি থেকে ১২ আউন্স ওজনের এই বিষ জব্দ করা হয়। পাশপাশি গ্রেফতার করা হয় সোলায়মান আজাদ নামে একজনকে।
বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন এসব তথ্য জানান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোলায়মান ডিবিকে জানিয়েছেন, কাঁচের কয়েকটি কৌটায় বিশেষ ব্যবস্থায় ভারত হয়ে ফ্রান্স থেকে এই বিষ আনা হয়।
ডিবি জানায়, এক সময় পোশাক ব্যবসায়ী ছিলেন সোলায়মান। ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ায় চোরাচালানের পথ বেছে নেন তিনি। এই বিষ চোরাচালানে সোলায়মানের একজন গুরু আছে। তার নাম ঠিকানা জানা গেছে। তাকে গ্রেফতারে গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত আছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গ্রেফতারকৃত সোলায়মান আজাদের বরাত দিয়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘কৌটাগুলোতে বিষাক্ত সাপের বিষ আছে। কৌটার গায়ে সেটা লেখা আছে। আমরা পরীক্ষা করে দেখবো এগুলো আসলে সাপের বিষ কিনা। প্রতিটি কৌটার গায়ে ডলার মূল্যে দাম উল্লেখ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত সোলায়মান আজাদ এ বিষ বিক্রির জন্য দালাল খুঁজছিলেন।
২০০৯ সালের মার্চে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে কোবরা সাপের ১২ আউন্স বিষসহ ৩ জনকে র্যাব গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা সাপের বিষের বোতলের গায়ে ‘মেইড ইন ফ্রান্স’ লেখা ছিল। ঐ বছরের ৯ আগষ্ঠ র্যাব নরসিংদীর শিবপুরের কারারচরের মাসুদপুর গ্রামের মোল্লাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে সাপের বিষ পাচারকারী চক্রের সদস্য শাহ আলম, ইব্রাহিম ও হাসিবুলকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে কোবরা সাপের ৬ আউন্স বিষ উদ্ধার করে।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

৪৫ কোটি টাকার সাপের বিষসহ গ্রেফতার ১

আপডেট সময় ০২:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ মার্চ ২০১৭
জাতয়ী ডেস্কঃ
ফ্রান্স থেকে আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সহায়তায় ৪৫ কোটি টাকার কোবরা সাপের বিষ আনা হয়। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডির ৮/এ নম্বর সড়কের ৭২ নম্বর বাড়ি থেকে ১২ আউন্স ওজনের এই বিষ জব্দ করা হয়। পাশপাশি গ্রেফতার করা হয় সোলায়মান আজাদ নামে একজনকে।
বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন এসব তথ্য জানান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোলায়মান ডিবিকে জানিয়েছেন, কাঁচের কয়েকটি কৌটায় বিশেষ ব্যবস্থায় ভারত হয়ে ফ্রান্স থেকে এই বিষ আনা হয়।
ডিবি জানায়, এক সময় পোশাক ব্যবসায়ী ছিলেন সোলায়মান। ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ায় চোরাচালানের পথ বেছে নেন তিনি। এই বিষ চোরাচালানে সোলায়মানের একজন গুরু আছে। তার নাম ঠিকানা জানা গেছে। তাকে গ্রেফতারে গোয়েন্দা অভিযান অব্যাহত আছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গ্রেফতারকৃত সোলায়মান আজাদের বরাত দিয়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘কৌটাগুলোতে বিষাক্ত সাপের বিষ আছে। কৌটার গায়ে সেটা লেখা আছে। আমরা পরীক্ষা করে দেখবো এগুলো আসলে সাপের বিষ কিনা। প্রতিটি কৌটার গায়ে ডলার মূল্যে দাম উল্লেখ করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত সোলায়মান আজাদ এ বিষ বিক্রির জন্য দালাল খুঁজছিলেন।
২০০৯ সালের মার্চে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি আবাসিক হোটেল থেকে কোবরা সাপের ১২ আউন্স বিষসহ ৩ জনকে র্যাব গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা সাপের বিষের বোতলের গায়ে ‘মেইড ইন ফ্রান্স’ লেখা ছিল। ঐ বছরের ৯ আগষ্ঠ র্যাব নরসিংদীর শিবপুরের কারারচরের মাসুদপুর গ্রামের মোল্লাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে সাপের বিষ পাচারকারী চক্রের সদস্য শাহ আলম, ইব্রাহিম ও হাসিবুলকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে কোবরা সাপের ৬ আউন্স বিষ উদ্ধার করে।