জাতীয় ডেস্কঃ
দুটো চাঁদাবাজি ও একটি চুরির মামলার পর আশুলিয়ায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর দুটি প্রতিষ্ঠানে একযোগে অভিযান চালিয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেটের তত্বাবধানে গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিকেলস লিমিটেডের কারখানায় একযোগে এ অভিযান শুরু করে র্যাব। সর্বশেষ পাওয়া খবরে রাত ৮টা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত ছিলো।
অভিযানের নেতৃত্বে রয়েছেন র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম। ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে সহায়তা করছেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ রাসেল হাসান ও সাভার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণব কুমার ঘোষ।
র্যাব -৪ সাভার ক্যাম্পের অধিনায়ক মেজর আব্দুল হাকিম জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চলছে।
অভিযান শেষে ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পর্যবেক্ষণ ও বিচারিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানান মেজর হাকিম।
এর আগে আশুলিয়ায় জমি দখলের চেষ্টা,ভাঙচুর, চুরির অভিযোগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। উচ্চ আদালত থেকে এই তিন মামলায় আগাম জামিন নিয়েছেন তিনি।
ইতিপূর্বে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে সেনাপ্রধান সম্পর্কে ‘অসত্য’ বক্তব্য দেওয়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হয়।
গত ১২ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় মেজর এম রাকিবুল আলম একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। ওই সাধারণ ডায়েরিটি গত সোমবার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হিসেবে গ্রহণ করে ডিবিকে তদন্তের নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের বিষয়ে জাফরুল্লাহর সঙ্গে তিন মামলার আসামি গণবিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন জানান, দ্রুততার সঙ্গে এতসব ঘটনা ঘটে চলেছে যে, কোনটির বিষয়ে তিনি মন্তব্য করবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।