আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটা শহরের এক মসজিদে জোরালো বিস্ফোরণে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। নিহতদের মধ্যে ওই মসজিদের ইমাম ছাড়াও কর্তব্যরত এক পুলিশ অফিসারও রয়েছেন।
শুক্রবার ওই মসজিদে মাগরিবের নামাজ আদায়ের সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে। কী ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।
কোয়েটার ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) আবদুল রাজ্জাক চিমা জানান, নিহত ১৫ জনের মধ্যে রয়েছেন ডেপুটি সুপারিনটেন্ডেন্ট অব পুলিশ (ডিএসপি) আমানুল্লাহ।
সূত্রের বরাত দিয়ে পাকিস্তানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিহত ডিএসপিই মূল টার্গেট ছিল। গত মাসে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজের হামলায় এই কোয়েটা শহরেই ডিএসপির ছেলে নিহত হয়েছেন।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মসজিদের মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ধ্বংসস্তূপ। রাত পর্যন্ত কেউ এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তান সেনার মিডিয়া শাখা আইএসপিআর জানিয়েছে, পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে সেখানে অভিযান শুরু করেছে সেনার বালোচিস্তানের ফ্রন্টিয়ার কর্প। পুলিশকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার বাজওয়া বলেন, মসজিদের ভিতরে যারা হামলা চালিয়েছে, তারা আর যা-ই হোক, সত্যিকারের মুসলিম হতে পারে না।
বালোচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী জম কামাল খান নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত প্রতিবেদন চেয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি নিহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এক টুইটবার্তায় ইমরান খান জানিয়েছেন, নিহত ডিএসপি হাজী আমানুল্লাহ ছিলেন একজন দৃষ্টান্তমূলক কর্মকর্তা।