ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ অক্টোবর ২০২৪, ১৭ আশ্বিন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে সরকারি ঘর পেয়ে খুশি ৩৭৬ পরিবার

মো: নাজিম উদ্দিনঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প “যার একন্ড জমি আছে ঘর নেই, তার জমিতে গৃহ নির্মাণ” উপ-খাতের আওতায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের ৩৭৬টি গৃহহারা হতদরিদ্র পরিবার সরকারি ঘর পেয়েছেন। গৃহহারা ছিন্নমূল মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে ওইসব পরিবারের সদস্যরা সরকারি ঘর পেয়ে প্রত্যেকেই পুলকিত।

তবে এলাকার সচেতন মহলের লোকজন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, উপজেলায় এ রকম আরো অনেক গৃহহারা পরিবার রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে গৃহহারা প্রত্যেকটি পরিবারকেই ঘর করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে এ গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। ওই কমিটির সভাপতি হলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হলেন সদস্য সচিব।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের আলীরচর গ্রামের ৮৩ বছরের বৃদ্ধা বিধবা বানতের নেছা একটি কুঁড়ের ঘরে বসত করতেন। তিনি এখন রঙিন একটি বাড়ির মালিক। বানতের নেছা আপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, আমি কল্পনাই করিনাই আমার একটি ঘর হইবো। অহন আমার আর কোন কষ্ট নাই, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লাই¹া দোয়া করি আল্লার যেন তারে সুস্থ রাহে (রাখে) আরো অনেক বছর বাচাইয়া রাহে (রাখে)’’।

গৃহ নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও মুরাদনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল হাই খান জানান,  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অগ্রাধিকার প্রকল্প আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে মুরাদনগর উপজেলায় ‘জমি আছে ঘর নেই’ এমন ৩৭৬টি পরিবারকে প্রতি ঘরের বরাদ্দ এক লাখ টাকা হিসেবে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে প্রত্যেকটি গৃহহারা পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি। নতুন ঘর পেয়ে আনন্দিত ওইসব পরিবারের লোকজন।

এ ব্যাপারে গৃহ নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম জানান, প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য হলো একটি পরিবারও গৃহহীন থাকবে না। আর দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে এই প্রকল্পটি অন্যতম। যার মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না তিনি এখন সুন্দর পরিচ্ছন্ন একটি ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতে পারছেন। তার মুখে হাসি ফুটছে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে সরকারি ঘর পেয়ে খুশি ৩৭৬ পরিবার

আপডেট সময় ১১:৫৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
মো: নাজিম উদ্দিনঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের প্রকল্প “যার একন্ড জমি আছে ঘর নেই, তার জমিতে গৃহ নির্মাণ” উপ-খাতের আওতায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের ৩৭৬টি গৃহহারা হতদরিদ্র পরিবার সরকারি ঘর পেয়েছেন। গৃহহারা ছিন্নমূল মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে ওইসব পরিবারের সদস্যরা সরকারি ঘর পেয়ে প্রত্যেকেই পুলকিত।

তবে এলাকার সচেতন মহলের লোকজন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, উপজেলায় এ রকম আরো অনেক গৃহহারা পরিবার রয়েছে। ধারাবাহিকভাবে গৃহহারা প্রত্যেকটি পরিবারকেই ঘর করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে এ গৃহ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। ওই কমিটির সভাপতি হলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হলেন সদস্য সচিব।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মুরাদনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের আলীরচর গ্রামের ৮৩ বছরের বৃদ্ধা বিধবা বানতের নেছা একটি কুঁড়ের ঘরে বসত করতেন। তিনি এখন রঙিন একটি বাড়ির মালিক। বানতের নেছা আপ্লুত হয়ে বাকরুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, আমি কল্পনাই করিনাই আমার একটি ঘর হইবো। অহন আমার আর কোন কষ্ট নাই, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লাই¹া দোয়া করি আল্লার যেন তারে সুস্থ রাহে (রাখে) আরো অনেক বছর বাচাইয়া রাহে (রাখে)’’।

গৃহ নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও মুরাদনগর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল হাই খান জানান,  প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অগ্রাধিকার প্রকল্প আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে মুরাদনগর উপজেলায় ‘জমি আছে ঘর নেই’ এমন ৩৭৬টি পরিবারকে প্রতি ঘরের বরাদ্দ এক লাখ টাকা হিসেবে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার অর্থ বরাদ্দ প্রদান করা হয়। আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে প্রত্যেকটি গৃহহারা পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছি। নতুন ঘর পেয়ে আনন্দিত ওইসব পরিবারের লোকজন।

এ ব্যাপারে গৃহ নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিতু মরিয়ম জানান, প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য হলো একটি পরিবারও গৃহহীন থাকবে না। আর দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে এই প্রকল্পটি অন্যতম। যার মাথা গোঁজার ঠাঁই ছিল না তিনি এখন সুন্দর পরিচ্ছন্ন একটি ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বসবাস করতে পারছেন। তার মুখে হাসি ফুটছে।