ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগর সদরে ধানের শীষের পক্ষে কাজী শাহ আরফিনের গণসংযোগ

রায়হান চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জোরদার হচ্ছে। নির্বাচনী আমেজে মুখর হয়ে উঠেছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা। প্রার্থী ও তাঁদের নেতাকর্মীরা কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় মুরাদনগর উপজেলা সদরের মোহনা আবাসিক এলাকায় বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কায়কোবাদের পক্ষে গণসংযোগ করেন তাঁর ছোট ভাই, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য কাজী শাহ আরফিন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

গণসংযোগকালে কাজী শাহ আরফিন বলেন, “কায়কোবাদ দাদা আপনাদেরই গ্রামের, আপনাদেরই ঘরের মানুষ। আজ এখানে আসার মূল উদ্দেশ্য হলো এলাকার মুরুব্বী ও যুবকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করা। আপনাদের অনেকের সঙ্গে আমার বহু স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১০–১২ বছরে এই এলাকার মানুষকে নানা মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তারা মনে করত, মুরাদনগর সদর দখলে রাখতে পারলেই পুরো মুরাদনগর নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। এ কারণে এখানকার অনেক তরুণকে ভয়ভীতি ও লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়ানো হয়েছে। এ ছেলেগুলো প্রকৃতপক্ষে খারাপ ছিল না। অনেকেই বাধ্য হয়ে কিংবা নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য এসব কাজে জড়িয়েছে।

তিনি বলেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণি অপরাধ করে আনন্দ পেত, আরেক শ্রেণি অনুশোচনায় ভুগেছে। যারা বাধ্য হয়ে করেছে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু যারা মানুষকে কষ্ট দিয়ে, নির্যাতন করে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে চেয়েছে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি যুবকদের উদ্দেশে বলেন, যা হওয়ার হয়ে গেছে। এখন সামনে তাকাতে হবে। আপনারা যদি চান আপনাদের গ্রামে একজন এমপি থাকুক, তাহলে কায়কোবাদ দাদাকে নির্বাচিত করার দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে।

গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, প্রবীণ নেতা জসিম উদ্দিন, ইব্রাহীম হুজুর, মাসুদ মিয়া, নেযামুল হক, আব্দুল বাতেন মোল্লা, বাবুল মিয়া, সাইদুল ইসলাম আসিফ, মো. সাফায়াত, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে জামানত হারালেন ৭ প্রার্থী

মুরাদনগর সদরে ধানের শীষের পক্ষে কাজী শাহ আরফিনের গণসংযোগ

আপডেট সময় ০৪:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রায়হান চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা জোরদার হচ্ছে। নির্বাচনী আমেজে মুখর হয়ে উঠেছে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা। প্রার্থী ও তাঁদের নেতাকর্মীরা কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় মুরাদনগর উপজেলা সদরের মোহনা আবাসিক এলাকায় বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কায়কোবাদের পক্ষে গণসংযোগ করেন তাঁর ছোট ভাই, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য কাজী শাহ আরফিন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

গণসংযোগকালে কাজী শাহ আরফিন বলেন, “কায়কোবাদ দাদা আপনাদেরই গ্রামের, আপনাদেরই ঘরের মানুষ। আজ এখানে আসার মূল উদ্দেশ্য হলো এলাকার মুরুব্বী ও যুবকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করা। আপনাদের অনেকের সঙ্গে আমার বহু স্মৃতি জড়িয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১০–১২ বছরে এই এলাকার মানুষকে নানা মানসিক নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তারা মনে করত, মুরাদনগর সদর দখলে রাখতে পারলেই পুরো মুরাদনগর নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। এ কারণে এখানকার অনেক তরুণকে ভয়ভীতি ও লোভ দেখিয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়ানো হয়েছে। এ ছেলেগুলো প্রকৃতপক্ষে খারাপ ছিল না। অনেকেই বাধ্য হয়ে কিংবা নিজেদের অবস্থান টিকিয়ে রাখার জন্য এসব কাজে জড়িয়েছে।

তিনি বলেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণি অপরাধ করে আনন্দ পেত, আরেক শ্রেণি অনুশোচনায় ভুগেছে। যারা বাধ্য হয়ে করেছে, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। কিন্তু যারা মানুষকে কষ্ট দিয়ে, নির্যাতন করে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে চেয়েছে তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি যুবকদের উদ্দেশে বলেন, যা হওয়ার হয়ে গেছে। এখন সামনে তাকাতে হবে। আপনারা যদি চান আপনাদের গ্রামে একজন এমপি থাকুক, তাহলে কায়কোবাদ দাদাকে নির্বাচিত করার দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে।

গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, প্রবীণ নেতা জসিম উদ্দিন, ইব্রাহীম হুজুর, মাসুদ মিয়া, নেযামুল হক, আব্দুল বাতেন মোল্লা, বাবুল মিয়া, সাইদুল ইসলাম আসিফ, মো. সাফায়াত, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাধারণ জনগণ।