ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

লিবিয়া উপকূলে এক সপ্তাহে ১৬০ অভিবাসীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

লিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে গত এক সপ্তাহে তাদের বিভিন্ন নৌকা ডুবে কমপক্ষে ১৬০ অভিবাসীর মৃত্যু ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) একথা জানায়। 

এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, জেনেভা ভিত্তিক জাতিসংঘের এ সংস্থার মুখপাত্র সাফা মসাহলি বলেন, ‘গত সপ্তাহে লিবিয়ার মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে কমপক্ষে ১৬০ জন প্রাণ হারিয়েছে।’ টুইটার বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘চলতি বছর এ রুটে বিভিন্ন নৌকা ডুবির ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।’

আইওএম জানায়, ১২ থেকে ১৮ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সমুদ্র পথ থেকে আটক বা উদ্ধার করা হয় ৪৬৬ অভিবাসন প্রত্যাশীকে। পরে তাদেরকে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়।

দারিদ্র্য ও সংঘাত থেকে মুক্তি পেতে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা কারি অভিবাসীদের কাছে লিবিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে পরিণত হয়েছে। ২০১১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে মোয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় অভিবাসন প্রত্যাশীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেয়া অনেকটা সহজ হয়।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

ঈদের আনন্দ নেই মুরাদনগর উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে

লিবিয়া উপকূলে এক সপ্তাহে ১৬০ অভিবাসীর মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৪৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

লিবিয়ার সমুদ্র উপকূলে গত এক সপ্তাহে তাদের বিভিন্ন নৌকা ডুবে কমপক্ষে ১৬০ অভিবাসীর মৃত্যু ঘটেছে। মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) একথা জানায়। 

এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, জেনেভা ভিত্তিক জাতিসংঘের এ সংস্থার মুখপাত্র সাফা মসাহলি বলেন, ‘গত সপ্তাহে লিবিয়ার মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে কমপক্ষে ১৬০ জন প্রাণ হারিয়েছে।’ টুইটার বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘চলতি বছর এ রুটে বিভিন্ন নৌকা ডুবির ঘটনায় প্রায় দেড় হাজার অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।’

আইওএম জানায়, ১২ থেকে ১৮ ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সমুদ্র পথ থেকে আটক বা উদ্ধার করা হয় ৪৬৬ অভিবাসন প্রত্যাশীকে। পরে তাদেরকে লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়।

দারিদ্র্য ও সংঘাত থেকে মুক্তি পেতে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা কারি অভিবাসীদের কাছে লিবিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে পরিণত হয়েছে। ২০১১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে মোয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হওয়ার পর দেশটিতে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় অভিবাসন প্রত্যাশীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেয়া অনেকটা সহজ হয়।