ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪, ৭ কার্তিক ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চান্দিনায় জরাজীর্ণ ভবনে চলছে সরকারি অফিসের কার্যক্রম

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা। অফিসগুলো হলো চান্দিনা উপজেলা মৎস্য, উপজেলা আনসার ভিডিপি ও কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আতংকের মাঝে কাজ করে যাচ্ছে ঐ ভবনে থাকা সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

সম্প্রতি চান্দিনা উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে দেখা যায় এসব দৃশ্য।

বিষয়টি জানতে গিয়ে জানা যায়, ২০১৭ সালেও অফিস চলাকালীন সময়ে ছাদ ধসে পড়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাধেশ্যাম বৈষ্ণব নামের এক কর্মকর্তার সামনেই। এ সময় চেয়ার, টেবিল ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়। কর্মকর্তারা ঐ সময় আতংকে অফিসে থেকে বেরিয়ে যান। গত ২২ জানুয়ারী রাতের কোন এক সময়ে আবারো ঝরে পড়ে ছাদের প্লাস্টার। দুপুর ২টায় সেই ছাদের বাকি অংশ আবারো ধসে পড়ে। এমন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও কাজ করে যাচ্ছে মৎস্য অফিস, আনসার ভিডিপি অফিস ও কৃষি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক ময়েদুজ্জামান জানান, এ ভবটি মূলত বিএডিসি’র ভবন। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলায় স্থান সংকুলান না থাকায় এখানে অফিস করতে হচ্ছে। বিষয়টি মন্ত্রনালয় অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। ভাড়া বাসার জন্য উর্দ্ধতন বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি।

চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নেহাশীষ দাশ ভবনের জরাজীর্ণ বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন। ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। নতুন ভবন হলে আমাদের এ সংকটটি আর থাকবেনা। আপাতত আমরা তাদেরকে অন্য একটি ভবনে স্থানান্তর করবো।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরর উপজেলায় জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোধে টিকাদান ক্যাম্পেইন

চান্দিনায় জরাজীর্ণ ভবনে চলছে সরকারি অফিসের কার্যক্রম

আপডেট সময় ০৩:১৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২০

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় ঝুঁকিপূর্ণ জরাজীর্ণ ভবনে জীবনের ঝুকি নিয়ে যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা। অফিসগুলো হলো চান্দিনা উপজেলা মৎস্য, উপজেলা আনসার ভিডিপি ও কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আতংকের মাঝে কাজ করে যাচ্ছে ঐ ভবনে থাকা সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

সম্প্রতি চান্দিনা উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তার অফিসে গিয়ে দেখা যায় এসব দৃশ্য।

বিষয়টি জানতে গিয়ে জানা যায়, ২০১৭ সালেও অফিস চলাকালীন সময়ে ছাদ ধসে পড়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাধেশ্যাম বৈষ্ণব নামের এক কর্মকর্তার সামনেই। এ সময় চেয়ার, টেবিল ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়। কর্মকর্তারা ঐ সময় আতংকে অফিসে থেকে বেরিয়ে যান। গত ২২ জানুয়ারী রাতের কোন এক সময়ে আবারো ঝরে পড়ে ছাদের প্লাস্টার। দুপুর ২টায় সেই ছাদের বাকি অংশ আবারো ধসে পড়ে। এমন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও কাজ করে যাচ্ছে মৎস্য অফিস, আনসার ভিডিপি অফিস ও কৃষি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীরা।

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক ময়েদুজ্জামান জানান, এ ভবটি মূলত বিএডিসি’র ভবন। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলায় স্থান সংকুলান না থাকায় এখানে অফিস করতে হচ্ছে। বিষয়টি মন্ত্রনালয় অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। ভাড়া বাসার জন্য উর্দ্ধতন বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি।

চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নেহাশীষ দাশ ভবনের জরাজীর্ণ বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, এটি একটি পরিত্যক্ত ভবন। ভবনটি জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। নতুন ভবন হলে আমাদের এ সংকটটি আর থাকবেনা। আপাতত আমরা তাদেরকে অন্য একটি ভবনে স্থানান্তর করবো।