ঢাকা ০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ৩০ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

তিতাসে গতবছরের তুলনায় কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে এবারও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এ শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজ। উপজেলার ১১টি প্রতিষ্ঠানের ১৪টি জিপিএ-৫ এর মধ্যে উক্ত স্কুলের শিক্ষার্থীরা পেয়েছে ৭টি। গত বছর ১৫টি জিপিএ-৫ এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছিল ১১টি। উপজেলা পর্যায়ে গত বছরের তুলনায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার যেমন কমেছে পাসের হার তেমনি কমেছে জিপিএ-৫।

গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন জানান, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪৬০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে বিভিন্ন গ্রেডে পাস করেছে ২১১জন। শতকরা পাশের হার ৪৫.৮৭%। যার মধ্যে জিপিএ-৫ রয়েছে ৭টি।

বিজ্ঞানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো- আবু তাহের, মুনতাছির আহমেদ সানি, মোঃ দ্বীন ইসলাম, ওমর ফারুক, জাকিয়া সুলতানা, নুসরাত জাহান, সোহাগ সরকার।

বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ নাছির উদ্দিন জানান, ৫টি জিপিএ-৫ পেয়েছে বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়। তারা হলো- নুসরাত জাহান, জুলকাফর মোঃ সোয়েব, মোঃ হোসেন, মোঃ তোফায়েল, রাকিবুল ইসলাম।

লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বসির আহম্মেদ জানান, উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ইসরাত জাহান নামে বিজ্ঞানের এক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

নারান্দিয়া কলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে আমেনা আক্তার জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী।

উপজেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুল গণি জানান, উপজেলা পর্যায়ে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৭০৪জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে পাস করেছে ৮৫১জন। শতকরা পাসের হার ৪৯.৯৪%। ১৪টি জিপিএ-৫ এর মধ্যে গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজ ৭টি, বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ৫টি, লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ও নারান্দিয়া কলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১টি করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। গতবছর ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৫৪১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছিল ১১০৫জন। শতকরা পাসের হার ছিল ৭১.৭১%। জিপিএ-৫ ছিল ১৫টি।

অপরদিকে দাখিল পরীক্ষায় এবার ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৪৮জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন যার মধ্যে পাস করেছে ২১৫জন। শতকরা পাসের হার ৬১.৭৮%। কোন জিপিএ-৫ নেই। এ শাখায় গতবছর ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৬২জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছিল ২৯৪জন। পাসের হার ছিল ৮১.২২%। জিপিএ-৫ ছিল ২টি।

ফলাফল সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চাইলে গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন বলেন, প্রকৃত মেধার পরিচয় এটা। ভাল রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যয় পড়তে হবে। পরীক্ষায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য তিনি উপজেলা প্রশাসনসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, এধারা অব্যাহত থাকলে ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়ায় আগ্রহী হবে এবং প্রকৃত মেধাবীরা বেরিয়ে আসবে।

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগর ভয়াবহ আগুন কয়ক কাটি টাকার ক্ষতি 

তিতাসে গতবছরের তুলনায় কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

আপডেট সময় ১২:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০১৭
নাজমুল করিম ফারুক, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার তিতাসে এবারও এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এ শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজ। উপজেলার ১১টি প্রতিষ্ঠানের ১৪টি জিপিএ-৫ এর মধ্যে উক্ত স্কুলের শিক্ষার্থীরা পেয়েছে ৭টি। গত বছর ১৫টি জিপিএ-৫ এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছিল ১১টি। উপজেলা পর্যায়ে গত বছরের তুলনায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার যেমন কমেছে পাসের হার তেমনি কমেছে জিপিএ-৫।

গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন জানান, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪৬০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে বিভিন্ন গ্রেডে পাস করেছে ২১১জন। শতকরা পাশের হার ৪৫.৮৭%। যার মধ্যে জিপিএ-৫ রয়েছে ৭টি।

বিজ্ঞানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো- আবু তাহের, মুনতাছির আহমেদ সানি, মোঃ দ্বীন ইসলাম, ওমর ফারুক, জাকিয়া সুলতানা, নুসরাত জাহান, সোহাগ সরকার।

বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ নাছির উদ্দিন জানান, ৫টি জিপিএ-৫ পেয়েছে বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়। তারা হলো- নুসরাত জাহান, জুলকাফর মোঃ সোয়েব, মোঃ হোসেন, মোঃ তোফায়েল, রাকিবুল ইসলাম।

লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বসির আহম্মেদ জানান, উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ইসরাত জাহান নামে বিজ্ঞানের এক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

নারান্দিয়া কলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে আমেনা আক্তার জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী।

উপজেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুল গণি জানান, উপজেলা পর্যায়ে এসএসসি পরীক্ষায় এবার ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৭০৪জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে পাস করেছে ৮৫১জন। শতকরা পাসের হার ৪৯.৯৪%। ১৪টি জিপিএ-৫ এর মধ্যে গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজ ৭টি, বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ৫টি, লালপুর নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ও নারান্দিয়া কলিমিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ১টি করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। গতবছর ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৫৪১জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছিল ১১০৫জন। শতকরা পাসের হার ছিল ৭১.৭১%। জিপিএ-৫ ছিল ১৫টি।

অপরদিকে দাখিল পরীক্ষায় এবার ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৪৮জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন যার মধ্যে পাস করেছে ২১৫জন। শতকরা পাসের হার ৬১.৭৮%। কোন জিপিএ-৫ নেই। এ শাখায় গতবছর ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৬২জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছিল ২৯৪জন। পাসের হার ছিল ৮১.২২%। জিপিএ-৫ ছিল ২টি।

ফলাফল সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চাইলে গাজীপুর খান হাইস্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাতেন বলেন, প্রকৃত মেধার পরিচয় এটা। ভাল রেজাল্ট করতে হলে অবশ্যয় পড়তে হবে। পরীক্ষায় সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য তিনি উপজেলা প্রশাসনসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আরো বলেন, এধারা অব্যাহত থাকলে ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়ায় আগ্রহী হবে এবং প্রকৃত মেধাবীরা বেরিয়ে আসবে।