ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকার জঙ্গিবাদের নামে বায়োস্কোপ দেখাচ্ছে: রিজভী

জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার জঙ্গিবাদ ইস্যুকে জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক মুনাফা তোলার চেষ্টা করছে। ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো যখন সামনে আসে তখনই জঙ্গিবাদের মতো ভয়ঙ্কর ইস্যুগুলোকে বায়োস্কোপের মতো জনগণের সামনে নিয়ে আসা হয়। সুতরাং সরকারই উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদকে গোপনে লালন-পালন করছে।
সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টন দলটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভারত প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে উপনিবশ রাষ্ট্র বানাতে চায় বলে মন্তব্য করে ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সুতরাং তাদের যদি স্ট্রং কমনসেনস থাকে তাহলে তারা প্রতিরক্ষা চুক্তি করবে না। আর যদি করে তাহলে আমরা ধরে নেবো, ভারত চুক্তি করে বাংলাদেশকে উপনিবেশ রাষ্ট্র বানাতে চায়।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বা সমঝোতা স্মারক যাই হোক না কেন, তা বাংলাদেশের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। বরং তা হবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম আঘাত। এ চুক্তির মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা গুম করে দেয়া হবে ভারতের কাছে।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে মসজিদে নামাজরত মুসল্লির মৃত্যু

সরকার জঙ্গিবাদের নামে বায়োস্কোপ দেখাচ্ছে: রিজভী

আপডেট সময় ০২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার জঙ্গিবাদ ইস্যুকে জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক মুনাফা তোলার চেষ্টা করছে। ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো যখন সামনে আসে তখনই জঙ্গিবাদের মতো ভয়ঙ্কর ইস্যুগুলোকে বায়োস্কোপের মতো জনগণের সামনে নিয়ে আসা হয়। সুতরাং সরকারই উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদকে গোপনে লালন-পালন করছে।
সোমবার রাজধানীর নয়াপল্টন দলটির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভারত প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে উপনিবশ রাষ্ট্র বানাতে চায় বলে মন্তব্য করে ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সুতরাং তাদের যদি স্ট্রং কমনসেনস থাকে তাহলে তারা প্রতিরক্ষা চুক্তি করবে না। আর যদি করে তাহলে আমরা ধরে নেবো, ভারত চুক্তি করে বাংলাদেশকে উপনিবেশ রাষ্ট্র বানাতে চায়।
তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা বা সমঝোতা স্মারক যাই হোক না কেন, তা বাংলাদেশের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। বরং তা হবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি চরম আঘাত। এ চুক্তির মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা গুম করে দেয়া হবে ভারতের কাছে।