ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজান উপলক্ষে জুলাই শহীদ পরিবারে ধর্মমন্ত্রীর উপহার

মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে জুলাই আন্দোলনের পাঁচ শহীদ পরিবারের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের ছয় বারের সংসদ সদস্য ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম সফরে এসে নিজ এলাকার পাঁচ জুলাই শহীদ পরিবারের হাতে উপহার সামগ্রী হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফল ও খেজুরের প্যাকেট তুলে দেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে এবং মন্ত্রীর কাছ থেকে উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

শহীদ পরিবারের সদস্যরা বলেন, কায়কোবাদ দাদা মন্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই আমাদের পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। আমাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, আমরা ওনার কাছে কৃতজ্ঞ।

শহীদ আবুল হোসেনের স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী শহীদ হওয়ার পর কায়কোবাদ দাদা ও ওনার ছোট ভাই আরেফিন সাহেব আমার পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। আমাদেরকে অনেক সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। আমাদের থাকার জন্য একটা নতুন করে ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া উনি মন্ত্রী হয়েছেন। আল্লাহ উনাকে নেক হায়াত দান করুন।’

আরেক জুলাই শহীদের মা বলেন, ‘আমার ছেলে গুলি খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর কায়কোবাদ দাদা ও ওনার ছোট ভাই আরেফিন সাহেব হাসপাতালের চিকিৎসার খরচ চালিয়েছেন। সবসময় আমাদের খোঁজখবর রেখেছেন। আজকে মন্ত্রী হওয়ার পর আমাদেরকে ওনার বাড়িতে এনে রমজানের উপহার সামগ্রী দিয়েছেন। আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞ।’

এ সময় কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের ছোট ভাই কাজী শাহ আরেফিন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে নিহত হওয়া শহীদ পরিবারের জন্য আমাদের এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। বিগত দিনে কায়কোবাদ দাদা উনাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। তিনটি পরিবারকে থাকার জন্য নতুন করে ঘর তুলে দিয়েছেন। তাছাড়া আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা উনাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। উনাদের বিপদে-আপদে আমরা সবসময় পাশে থাকব, ইনশাল্লাহ।’

ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘জুলাইয়ে শহীদদের আত্মত্যাগের কারণে আজকে আমি দেশে এসেছি, মন্ত্রী হতে পেরেছি। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এই শহীদ পরিবারগুলোর পাশে আমি আগেও ছিলাম, ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকব। তাদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করব, ইনশাল্লাহ।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রীর ছোট ভাই কাজী শাহ আরেফিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সোহেল আহমদ বাবুসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

রমজান উপলক্ষে জুলাই শহীদ পরিবারে ধর্মমন্ত্রীর উপহার

রমজান উপলক্ষে জুলাই শহীদ পরিবারে ধর্মমন্ত্রীর উপহার

আপডেট সময় ০৬:১০:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মুরাদনগর বার্তা ডেস্কঃ

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে জুলাই আন্দোলনের পাঁচ শহীদ পরিবারের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের ছয় বারের সংসদ সদস্য ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম সফরে এসে নিজ এলাকার পাঁচ জুলাই শহীদ পরিবারের হাতে উপহার সামগ্রী হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফল ও খেজুরের প্যাকেট তুলে দেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রীকে কাছে পেয়ে এবং মন্ত্রীর কাছ থেকে উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন শহীদ পরিবারের সদস্যরা।

শহীদ পরিবারের সদস্যরা বলেন, কায়কোবাদ দাদা মন্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই আমাদের পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। আমাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন, আমরা ওনার কাছে কৃতজ্ঞ।

শহীদ আবুল হোসেনের স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী শহীদ হওয়ার পর কায়কোবাদ দাদা ও ওনার ছোট ভাই আরেফিন সাহেব আমার পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন। আমাদেরকে অনেক সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। আমাদের থাকার জন্য একটা নতুন করে ঘর তৈরি করে দিয়েছেন। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া উনি মন্ত্রী হয়েছেন। আল্লাহ উনাকে নেক হায়াত দান করুন।’

আরেক জুলাই শহীদের মা বলেন, ‘আমার ছেলে গুলি খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর কায়কোবাদ দাদা ও ওনার ছোট ভাই আরেফিন সাহেব হাসপাতালের চিকিৎসার খরচ চালিয়েছেন। সবসময় আমাদের খোঁজখবর রেখেছেন। আজকে মন্ত্রী হওয়ার পর আমাদেরকে ওনার বাড়িতে এনে রমজানের উপহার সামগ্রী দিয়েছেন। আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞ।’

এ সময় কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের ছোট ভাই কাজী শাহ আরেফিন বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে নিহত হওয়া শহীদ পরিবারের জন্য আমাদের এটি একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস। বিগত দিনে কায়কোবাদ দাদা উনাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। তিনটি পরিবারকে থাকার জন্য নতুন করে ঘর তুলে দিয়েছেন। তাছাড়া আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা উনাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। উনাদের বিপদে-আপদে আমরা সবসময় পাশে থাকব, ইনশাল্লাহ।’

ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, ‘জুলাইয়ে শহীদদের আত্মত্যাগের কারণে আজকে আমি দেশে এসেছি, মন্ত্রী হতে পেরেছি। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। এই শহীদ পরিবারগুলোর পাশে আমি আগেও ছিলাম, ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকব। তাদের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করব, ইনশাল্লাহ।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রীর ছোট ভাই কাজী শাহ আরেফিন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সোহেল আহমদ বাবুসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।