ঢাকা ০৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হোমনা থানা হেফাজতে থাকা নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার হোমনা থানার হেফাজতে থাকা হামিদা ওরফে ববিতা (৩৫) নামের এক নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে থানার নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী সহায়তা ডেস্কে এ ঘটনা ঘটে।নিহত হামিদা হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী।

পুলিশ জানায়, চার বছর বয়সী একটি সন্তান থাকায় হামিদাকে থানার হাজতখানায় না রেখে নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়। সেখানে তার সঙ্গে অন্য নারী আসামি ও একজন নারী গ্রামপুলিশও ছিলেন।ওসি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে হামিদা তার সতীনের ছেলে সায়মনকে (১১) ছুরিকাঘাত করেন। আহত শিশুটিকে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা হামিদাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় আহত সায়মনের জেঠা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতেই থানায় মামলা করেন।
ওসি আরো বলেন, ‘থানা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জনপ্রিয় সংবাদ

হোমনায় সরকারি হাসপাতালে ক্যানোলা বসাতে না পারায় প্রাইভেটে অতিরিক্ত বিল আদায় 

হোমনা থানা হেফাজতে থাকা নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ১২:০৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার হোমনা থানার হেফাজতে থাকা হামিদা ওরফে ববিতা (৩৫) নামের এক নারী আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে থানার নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী সহায়তা ডেস্কে এ ঘটনা ঘটে।নিহত হামিদা হোমনা উপজেলার ঘনিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী।

পুলিশ জানায়, চার বছর বয়সী একটি সন্তান থাকায় হামিদাকে থানার হাজতখানায় না রেখে নারী ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়। সেখানে তার সঙ্গে অন্য নারী আসামি ও একজন নারী গ্রামপুলিশও ছিলেন।ওসি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে হামিদা তার সতীনের ছেলে সায়মনকে (১১) ছুরিকাঘাত করেন। আহত শিশুটিকে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা হামিদাকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় আহত সায়মনের জেঠা স্বপন মিয়া বাদী হয়ে রাতেই থানায় মামলা করেন।
ওসি আরো বলেন, ‘থানা হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’