ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য আটক

ফজলে রাব্বি রাফব, মুরাদনগর (কুমিল্লা) ঃ
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় চোরাই সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে আটককৃতদের কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাখরনগর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশির সময় দুজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, জুম্মান হোসেনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের জুম্মন হোসেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে বসবাস করেন, জসিম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার দুর্লভেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মামুন মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের গোয়ালী দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাখরনগর থোল্লা গ্যাস পাম্পের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ সেটি আটক করতে গেলে এক আরোহী দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে অটোরিকশায় থাকা জুম্মান হোসেন ওরফে জুম্মান ড্রাইভার (৩৩) ও মো. জসিমকে (৩০) আটক করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁরা অটোরিকশাটির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পুলিশ আরও দাবি করেছে, আটক দুজন অটোরিকশাটি চোরাই বলে স্বীকার করেন। পরে অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়। আটক দুজনের দেওয়া তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামুন মিয়া (৪৫)-এর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানা পুলিশের সহযোগিতায় কুটি চৌমুহনী এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় মামলা করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বুধবার (২৮ অক্টোবর) আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আটক ব্যক্তিরা আন্তজেলা সিএনজি অটোরিকশা চোর চক্রের সদস্য। তাঁরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অটোরিকশা চুরি করে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় কেনাবেচা করতো। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য আটক

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য আটক

আপডেট সময় ০২:২৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ফজলে রাব্বি রাফব, মুরাদনগর (কুমিল্লা) ঃ
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় চোরাই সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকালে আটককৃতদের কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাখরনগর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশির সময় দুজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো, জুম্মান হোসেনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামের জুম্মন হোসেন। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে বসবাস করেন, জসিম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার দুর্লভেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও মামুন মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের গোয়ালী দক্ষিণপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাখরনগর থোল্লা গ্যাস পাম্পের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি সিএনজি অটোরিকশা পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ সেটি আটক করতে গেলে এক আরোহী দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে অটোরিকশায় থাকা জুম্মান হোসেন ওরফে জুম্মান ড্রাইভার (৩৩) ও মো. জসিমকে (৩০) আটক করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁরা অটোরিকশাটির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পুলিশ আরও দাবি করেছে, আটক দুজন অটোরিকশাটি চোরাই বলে স্বীকার করেন। পরে অটোরিকশাটি জব্দ করা হয়। আটক দুজনের দেওয়া তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামুন মিয়া (৪৫)-এর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানা পুলিশের সহযোগিতায় কুটি চৌমুহনী এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় মামলা করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বুধবার (২৮ অক্টোবর) আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আটক ব্যক্তিরা আন্তজেলা সিএনজি অটোরিকশা চোর চক্রের সদস্য। তাঁরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অটোরিকশা চুরি করে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় কেনাবেচা করতো। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।