ঢাকা ০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এইচএসসির ফল প্রকাশ অক্টোবরের মাঝামাঝি

জাতীয় ডেস্কঃ 

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ হতে পারে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে। আশা করছি, আগামী মাসের মাঝামাঝি এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।’

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২৬ জুন, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৩ আগস্ট। কিন্তু কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করে পুনরায় সূচি প্রকাশ করে পরীক্ষা নেওয়ায় তা শেষ হয় ১৯ আগস্ট।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিয়েছিলেন মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছেলে ও ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন মেয়ে। সারা দেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হয়।

পরীক্ষায় প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। সেই হিসাবে ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন সোয়া ১২ লাখ শিক্ষার্থী।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুরাদনগরে বন্ধুর জন্য ন্যাড়া হলেন ৯ বন্ধু

এইচএসসির ফল প্রকাশ অক্টোবরের মাঝামাঝি

আপডেট সময় ০৫:৫১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাতীয় ডেস্কঃ 

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ হতে পারে।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষা আইন অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী আগামী ১৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশ করতে হবে। আশা করছি, আগামী মাসের মাঝামাঝি এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।’

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২৬ জুন, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৩ আগস্ট। কিন্তু কয়েকটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করে পুনরায় সূচি প্রকাশ করে পরীক্ষা নেওয়ায় তা শেষ হয় ১৯ আগস্ট।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশ নিয়েছিলেন মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন ছেলে ও ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন মেয়ে। সারা দেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা হয়।

পরীক্ষায় প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। সেই হিসাবে ফলের অপেক্ষায় রয়েছেন সোয়া ১২ লাখ শিক্ষার্থী।