ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

জাতীয় ডেস্কঃ

৭ নভেম্বর। দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

১৯৭৫ সালের এই দিনে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর রাষ্ট্র পরিচালনায় তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। ৩ নভেম্বর জেলখানায় হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। ওই দিনই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ। বন্দি করা হয় সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে। চলে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থান। পরে ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার এক পাল্টা অভ্যুত্থানে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

এদিকে, বিএনপি দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করলেও জাসদসহ কিছু সংগঠন দিনটিকে সৈনিক হত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে।

ট্যাগস

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিএনপির বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

আপডেট সময় ০৮:০২:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ নভেম্বর ২০১৬
জাতীয় ডেস্কঃ

৭ নভেম্বর। দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

১৯৭৫ সালের এই দিনে এক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর রাষ্ট্র পরিচালনায় তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। ৩ নভেম্বর জেলখানায় হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে। ওই দিনই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ। বন্দি করা হয় সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে। চলে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থান। পরে ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার এক পাল্টা অভ্যুত্থানে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

এদিকে, বিএনপি দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পালন করলেও জাসদসহ কিছু সংগঠন দিনটিকে সৈনিক হত্যা দিবস হিসেবে পালন করছে।