ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুরাদনগরে ১৩ মাসে কোরআনের হাফেজ হলেন শিশু মাকসুদ

মুরাদনগর বার্তা অনলাইন ডেস্কঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাত্র ১৩ মাস ১০ দিনে পবিত্র কোরআনে হাফেজ হয়েছে দশ বছর বয়সী ছাত্র মাকসুদুর রহমান।

তিনি জাহাপুর ইবতেদায়ি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও পেসকারুননেসা এতিমখানার ছাত্র। অল্প বয়সে হাফেজ হয়ে এলাকার মুখ উজ্জ্বল করা মাকসুদুরকে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।

জানা যায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কোরআনের সবক নেওয়া শুরু করেন মাকসুদুর। চলতি বছরের নভেম্বরেই সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ শেষ করেন তিনি। হাফেজ মাকসুদুর উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের রানীমুহুরী গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে।

মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, মাকসুদুর শুরু থেকেই খুব মনোযোগী, অনুগত এবং অধ্যবসায়ী ছিল। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ সবক নেওয়া, পুরোনো অংশের মেধাদীপ্ত পুনরাবৃত্তি ও শুদ্ধ তিলাওয়াত তার অল্প সময়ে হিফজের অন্যতম কারণ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মাকসুদুর শিশুকাল থেকেই অতি আগ্রহী ছিল। সকলের দোয়া, শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা, মাদ্রাসার পরিবেশ তাকে এ সাফল্যে পৌঁছে দিয়েছে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আলাউদ্দিন বলেন, ভর্তির শুরুতেই তাকে ব্যতিক্রমী দেখা গেছে। কোরআন শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহ দেখা গেছে। তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে সে কোরআনের হাফেজ হতে পারবে এটা ধারণার বাইরে। আমরা তাকে নিয়ে এখন গর্ববোধ করছি।

মুরাদনগরে ১৩ মাসে কোরআনের হাফেজ হলেন শিশু মাকসুদ

আপডেট সময় ০৭:০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

মুরাদনগর বার্তা অনলাইন ডেস্কঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে মাত্র ১৩ মাস ১০ দিনে পবিত্র কোরআনে হাফেজ হয়েছে দশ বছর বয়সী ছাত্র মাকসুদুর রহমান।

তিনি জাহাপুর ইবতেদায়ি হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও পেসকারুননেসা এতিমখানার ছাত্র। অল্প বয়সে হাফেজ হয়ে এলাকার মুখ উজ্জ্বল করা মাকসুদুরকে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।

জানা যায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে কোরআনের সবক নেওয়া শুরু করেন মাকসুদুর। চলতি বছরের নভেম্বরেই সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ শেষ করেন তিনি। হাফেজ মাকসুদুর উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের রানীমুহুরী গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে।

মাদ্রাসার শিক্ষকরা জানান, মাকসুদুর শুরু থেকেই খুব মনোযোগী, অনুগত এবং অধ্যবসায়ী ছিল। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ সবক নেওয়া, পুরোনো অংশের মেধাদীপ্ত পুনরাবৃত্তি ও শুদ্ধ তিলাওয়াত তার অল্প সময়ে হিফজের অন্যতম কারণ।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মাকসুদুর শিশুকাল থেকেই অতি আগ্রহী ছিল। সকলের দোয়া, শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা, মাদ্রাসার পরিবেশ তাকে এ সাফল্যে পৌঁছে দিয়েছে।

মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আলাউদ্দিন বলেন, ভর্তির শুরুতেই তাকে ব্যতিক্রমী দেখা গেছে। কোরআন শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহ দেখা গেছে। তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে সে কোরআনের হাফেজ হতে পারবে এটা ধারণার বাইরে। আমরা তাকে নিয়ে এখন গর্ববোধ করছি।