ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধের জীবনাদর্শ অনুসরণ একান্ত প্রয়োজন’

জাতীয় ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ গঠনই ছিল গৌতম বুদ্ধের একমাত্র লক্ষ্য। বুদ্ধ পুর্ণিমা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভয়, ক্রোধ ও লোভ লালসাকে পরিহার করে গৌতম বুদ্ধ সারাজীবন মানুষের কল্যাণে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংস, মৈত্রী ও করুণার বাণী প্রচার করেছেন। বর্তমান বিশ্বে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গৌতম বুদ্ধের জীবনাদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণ করা একান্ত প্রয়োজন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল থেকে এ দেশে প্রত্যেক ধর্মের লোক উৎসবমুখর পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম নিবিঘ্নে পালন করে আসছে। বিভিন্ন ধর্মের অনুসারিগণ পাশাপাশি বসবাস করে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
তিনি বলেন, হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে আমরা বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণও বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সমানভাবে অংশ গ্রহণ করে আসছেন। বাসস।
ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

মুরাদনগরে নিষিদ্ধ যুবলীগের ব্যানারে মিছিল, ৭৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধের জীবনাদর্শ অনুসরণ একান্ত প্রয়োজন’

আপডেট সময় ০৩:১৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মে ২০১৭
জাতীয় ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শান্তি ও সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ গঠনই ছিল গৌতম বুদ্ধের একমাত্র লক্ষ্য। বুদ্ধ পুর্ণিমা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভয়, ক্রোধ ও লোভ লালসাকে পরিহার করে গৌতম বুদ্ধ সারাজীবন মানুষের কল্যাণে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংস, মৈত্রী ও করুণার বাণী প্রচার করেছেন। বর্তমান বিশ্বে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গৌতম বুদ্ধের জীবনাদর্শ ও শিক্ষা অনুসরণ করা একান্ত প্রয়োজন।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল থেকে এ দেশে প্রত্যেক ধর্মের লোক উৎসবমুখর পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম নিবিঘ্নে পালন করে আসছে। বিভিন্ন ধর্মের অনুসারিগণ পাশাপাশি বসবাস করে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।
তিনি বলেন, হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে আমরা বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীগণও বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে সমানভাবে অংশ গ্রহণ করে আসছেন। বাসস।