ঢাকা ০১:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লার গাইনি চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী মারা গেছেন। রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

কাকলীর বড় ভাই মনজুরুল আজীম পলাশ সমকালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কয়েক দিন আগে কাকলী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। এ সময় তার কিডনি ও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে শনিবার তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে তার রক্তচাপ হঠাৎ কমে গেলে আইসিইউ থেকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তর করা হয়। রাতভর চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং নগর মাতৃসদন কুমিল্লা–এর কনসালট্যান্ট ছিলেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে কুমিল্লায়। রোগী, সহকর্মী, স্বজন—সবার মুখেই বিষাদের ছাপ। মানবিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত কাকলী বিনামূল্যে বহু দরিদ্র রোগীর সিজার করিয়েছেন। চিকিৎসার পাশাপাশি তিনি ছিলেন অধুনা থিয়েটার–এর সদস্য। গান শুনতে ও প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসতেন তিনি।

ফাহমিদার স্বজনরা জানান, তার মরদেহ আপাতত হিমঘরে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত একমাত্র মেয়ে তুর্ণা দেশে ফিরলে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৫:৫৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কুমিল্লার গাইনি চিকিৎসক ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী মারা গেছেন। রোববার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

কাকলীর বড় ভাই মনজুরুল আজীম পলাশ সমকালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কয়েক দিন আগে কাকলী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। এ সময় তার কিডনি ও লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে শনিবার তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে তার রক্তচাপ হঠাৎ কমে গেলে আইসিইউ থেকে ভেন্টিলেশনে স্থানান্তর করা হয়। রাতভর চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও আজ সকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ডা. ফাহমিদা আজিম কাকলী কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং নগর মাতৃসদন কুমিল্লা–এর কনসালট্যান্ট ছিলেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে কুমিল্লায়। রোগী, সহকর্মী, স্বজন—সবার মুখেই বিষাদের ছাপ। মানবিক চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত কাকলী বিনামূল্যে বহু দরিদ্র রোগীর সিজার করিয়েছেন। চিকিৎসার পাশাপাশি তিনি ছিলেন অধুনা থিয়েটার–এর সদস্য। গান শুনতে ও প্রকৃতির মাঝে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসতেন তিনি।

ফাহমিদার স্বজনরা জানান, তার মরদেহ আপাতত হিমঘরে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত একমাত্র মেয়ে তুর্ণা দেশে ফিরলে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হবে।