ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লিবিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ১১

আন্তর্জাতিক:

লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের শহর মারজুকে মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায় ১১ জন সন্দেহভাজন নিহত হয়েছেন। মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সন্দেহভাজন ঐ ১১ জন আইএস জঙ্গিগোষ্ঠির সঙ্গে জড়িত ছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে মারজুকে এটি মার্কিন বাহিনীর দ্বিতীয় বিমান হামলা। এর আগে, ১৯ সেপ্টেম্বর একই রকম আরেকটি বিমান হামলায় ৮ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন বাহিনীর ইউএস-আফ্রিকা কমান্ড প্রধান মেজর জেনারেল উইলিয়াম গেইলার জানান, আইএস জঙ্গিদের নিধনের জন্য এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যেন তারা লিবিয়ার জনগণকে আক্রমণ করতে না পারে।

২০১৬ সালে লিবিয়ার উপকূলীয় শহর সিরাতে নিজেদের আধিপত্য হারানোর পর সম্প্রতি দেশটির দক্ষিণাঞ্চল থেকেও জঙ্গিগোষ্ঠিটি পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা বলা হয়, তারা কোনমতেই আইএসকে রাজধানী ত্রিপোলির আশেপাশে সংঘবদ্ধ হতে দেবে না।

আইএস এর পূর্বাঞ্চলীয় অংশের প্রধান খলিফা হাফতারের নেতৃত্বে গত এপ্রিলে কয়েকজনকে অপহরণ করেছিলো জঙ্গিগোষ্ঠিটি। এর মাধ্যমে লিবিয়াতে তারা মার্কিন বাহিনীর সাথে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছাতে চেয়েছিল।

রয়টার্স

ট্যাগস
আপলোডকারীর তথ্য

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

লিবিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত ১১

আপডেট সময় ০৩:৫৪:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯
আন্তর্জাতিক:

লিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের শহর মারজুকে মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলায় ১১ জন সন্দেহভাজন নিহত হয়েছেন। মার্কিন নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সন্দেহভাজন ঐ ১১ জন আইএস জঙ্গিগোষ্ঠির সঙ্গে জড়িত ছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে মারজুকে এটি মার্কিন বাহিনীর দ্বিতীয় বিমান হামলা। এর আগে, ১৯ সেপ্টেম্বর একই রকম আরেকটি বিমান হামলায় ৮ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি মারা গেছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন বাহিনীর ইউএস-আফ্রিকা কমান্ড প্রধান মেজর জেনারেল উইলিয়াম গেইলার জানান, আইএস জঙ্গিদের নিধনের জন্য এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যেন তারা লিবিয়ার জনগণকে আক্রমণ করতে না পারে।

২০১৬ সালে লিবিয়ার উপকূলীয় শহর সিরাতে নিজেদের আধিপত্য হারানোর পর সম্প্রতি দেশটির দক্ষিণাঞ্চল থেকেও জঙ্গিগোষ্ঠিটি পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। মার্কিন বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা বলা হয়, তারা কোনমতেই আইএসকে রাজধানী ত্রিপোলির আশেপাশে সংঘবদ্ধ হতে দেবে না।

আইএস এর পূর্বাঞ্চলীয় অংশের প্রধান খলিফা হাফতারের নেতৃত্বে গত এপ্রিলে কয়েকজনকে অপহরণ করেছিলো জঙ্গিগোষ্ঠিটি। এর মাধ্যমে লিবিয়াতে তারা মার্কিন বাহিনীর সাথে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছাতে চেয়েছিল।

রয়টার্স