ফজলে রাব্বি রাফি, মুরাদনগর (কুমিল্লা):
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে মিছিল ও শোডাউনের প্রস্তুতির অভিযোগে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার সকালে গ্রেপ্তারকৃতদের কুমিল্লার কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের লাজৈর এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—সাদ্দাম হোসেন (২৬), সরোয়ার (১৯), সরোয়ার হোসেন রাকিব (৩০), আনিস মিয়া (৩২), মোস্তফা সরকার (৩৩), আরিফুর রহমান সরকার (৪৫), মহসিন (২৫), ইয়াছিন (২৮), জজ মিয়া (৪৫), শরীফ মিয়া (৩০), সোহেল মিয়া (৪৫), শাহ আলম (৬৩), জাহাঙ্গীর আলম (৬১), আলমাস উদ্দিন মেম্বার (৫৭) ও আব্দুস সাদেক (৬৯)। তাঁদের বাড়ি মুরাদনগর, বাঙ্গরা বাজার ও দেবীদ্বার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে মিছিল ও শোডাউনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
মুরাদনগর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে পিএসআই রাজু বড়ুয়ার নেতৃত্বে এসআই মো. আরকানুল ইসলাম, এএসআই কুসুম বড়ুয়াসহ পুলিশের একটি দল লাজৈর এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে ব্লেসিং এগ্রোভেট কারখানার সামনে থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তদন্তে আরও চারজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মিছিল ও শোডাউনের মাধ্যমে জনমনে ভীতি সৃষ্টি এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এ ঘটনায় ৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করেসন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রম, মিছিল-শোডাউন কিংবা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির কোনো প্রচেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ফজলে রাব্বি রাফি, মুরাদনগর (কুমিল্লা): 
















